Share this link via
Personality Websites!
কাপড় পেলে * মসজিদের অযুখানায় অযুর সময় ভুল করে পাশের জনের ছিটা কাপড়ে পড়লে; এরপর এমন সময় শয়তানও কুমন্ত্রণা দেয় যে: "ক্ষমা করতে থাকলে তো তুমি বাঁচবে না", "যদি নরম মনের হও তবে এই দুনিয়া তোমাকে বাঁচতে দেবে না", "আজকাল উপেক্ষা করা ঠিক নয়", "ক্ষমা করার যুগ নাইরে ভাই!", "ক্ষমা করলে মানুষ মাথায় চড়ে বসে" ইত্যাদি ইত্যাদি। তো মনে রাখবেন! এমন কথায় কখনো কান দেবেন না। সহনশীলতার পরিচয় দিয়ে অন্যদের ক্ষমা এই জন্যেই শুধু করবেন না যে, এর দ্বারা দুনিয়া সুন্দর হবে, বরং সহনশীলতা ও ক্ষমা তো আখিরাতকে সুন্দর করে। এই কারণেই আমাদের বুযুর্গানে দ্বীন رَحِمَہُمُ اللهُ الْمُبِيْن এর অভ্যাস ছিল যে, যত বড় ক্ষতিই হতো তাঁরা সহনশীলতা ও ক্ষমার পথ ছাড়তেন না।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
আসুন! উৎসাহের জন্য বুযুর্গদের সহনশীলতা ও ক্ষমা করার তিনটি ঘটনা শুনি। যেমনটি;
(১) ক্ষমা করা সামর্থ্য থাকার পরেই হয়!
হযরত মাআমার বিন রাশিদ رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বর্ণনা করেন: এক ব্যক্তি হযরত কাতাদা বিন দি'আমাহ رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর সাহেবজাদাকে জোরে একটি থাপ্পড় মারল। তিনি বিলাল বিন আবি বুরদাহ এর নিকট তাঁর বিরুদ্ধে সাহায্য চাইলেন। অতএব বিলাল বিন আবি বুরদাহ থাপ্পড় মারা ব্যক্তিকে ডাকলেন এবং বসরার সর্দারদেরও ডাকলেন। তারা তার কাছে ঐ ব্যক্তির জন্য সুপারিশ করতে লাগলেন, কিন্তু তিনি সুপারিশ কবুল করলেন না এবং ছেলেকে বললেন: "তুমিও তাকে ঠিক সেভাবেই থাপ্পড় মারো, যেভাবে ও তোমাকে মেরেছিল।" এবং বললেন: "বাবা! আস্তিন (Sleeves) উপরে তোলো এবং হাত তুলে জোরে একটি থাপ্পড় মারো।"
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami