Share this link via
Personality Websites!
বেঁচে থাকতো না আর অপরজন মানুষের মাংস খেত (অর্থাৎ গীবত করত)। (আহওয়ালুল কুবুর, পৃ:৯৪)
কবরের আযাব হক
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আমরা কবরের আযাব থেকে আল্লাহ পাকের নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি, আল্লাহ পাক তাঁর অনুগ্রহে আমাদেরকে কবরের আযাব থেকে হেফাযত করুক…!! মনে রাখবেন! কবরের আযাব হক, সত্য, এই কথাটি একদম সঠিক যে, এই উম্মতকে কবরে আযাব দেওয়া হবে। কুরআনুল কারীমের অনেক জায়গায় এই ব্যাপারে আলোচনা এসেছে। আল্লাহ পাক বলেন:
مِمَّا خَطِیْٓــٴٰـتِهِمْ اُغْرِقُوْا فَاُدْخِلُوْا نَارًا ﳔ
(পারা ২৯, সূরা নূহ, আয়াত ২৫)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: তাদেরকে তাদের কেমন পাপরাশির কারণে নিমজ্জিত করা হয়েছে। অতঃপর আগুণে প্রবেশ করানো হয়েছে।
এই আয়াতের তাফসীরে লিখা হয়েছে: এই আগুণ দ্বারা উদ্দেশ্য হলো দোযখের আগুণ (অর্থাৎ কবরের আযাব) অর্থাৎ এই গুনাহসমূহ ও নাফরমানীর কারণে কবরের ভেতরে আগুণে নিক্ষেপ করা হয়েছে।
(রুহুল মাআনী, পারা: ২৯, সূরা নূহ, আয়াতের পাদটীকা: ২৫, খন্ড: ১৫, পৃ: ১২৫)
বরযখ কী
প্রসিদ্ধ মুফাসসিরে কুরআন মুফতি আহমদ ইয়ার খাঁন নঈমী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ লিখেন: কবর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো আলমে বরযখ যার শুরু প্রতিটি মানুষের মৃত্যু থেকে হয়ে থাকে আর শেষ হয় কিয়ামতের দিন, সুতরাং যেই লাশ দাফন করা হয়নি বরং জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে বা ডুবে গিয়েছে অথবা সেটাকে বাঘে খেয়ে ফেলেছে তারও কবরের হিসাব ও শাস্তি হবে। (মিরাতুল মানাজীহ, ১/১২৫)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami