Share this link via
Personality Websites!
আরও একটি কারণ বলা হয়েছে: প্রস্রাবের ছিটা থেকে বেঁচে না থাকা…!! এই মন্দ কাজ থেকে বেঁচে থাকাও আবশ্যক এবং জরুরী। * স্বয়ং নিজেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা প্রকৃতিরও দাবি * এবং শরীয়তের হুকুম * যেই ব্যক্তি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকে সে আল্লাহ পাকের নিকট প্রশংসাযোগ্য * ধনী হোক বা গরীব প্রতিটি অবস্থায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন লোক সম্মানী * একজন মুসলমানের এটি একটি ইসলামী নিশান যে, সে তার শরীর, নিজের ঘর ও মালপত্র, নিজের দরজা এবং আঙিনা ইত্যাদি প্রতিটি জিনিসের পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতার দিকে সব সময় খেয়াল রাখবে। নোংড়ামী মানুষের মান ও সম্মানের গুরুতর শত্রু, এজন্য প্রত্যেক নর ও নারীকে সব সময় পরিষ্কার – পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়তে হবে * পরিষ্কার – পরিচ্ছন্নতা দ্বারা স্বাস্থ্য ক্রমাগত বৃদ্ধি পায় * আর অসংখ্য বরং হাজারো রোগ – ব্যাধি দূরীভূত হয়।
* রাসূলে করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেছেন: আল্লাহ পাক পবিত্র (তিনি) পবিত্রতাকে পছন্দ করেন, (তিনি) পরিচ্ছন্ন (এবং) পরিচ্ছন্নতাকে পছন্ত করেন। (তিরমিযী, পৃ:৬৫৪, হাদিস: ২৭৯৯) * এক হাদিসে পাকে বলা হয়েছে: اَلطَّہُوْرُشَطْرُالْاِیْمَان অর্থাৎ পবিত্রতা ঈমানের অঙ্গ। (মুসলিম, পৃ:১০৬, হাদিস: ২২৩) অপর এক হাদিসে পাকে রয়েছে, اَلنَّظَافَۃُ تَدْعُو اِلَی الْاِیْمَانِ পবিত্রতা ঈমানের দিকে ধাবিত করে। (ফয়যুল কদীর, ৩/৩৫৬, হাদিসের পাদটীকা: ৩৩৬৯) * আল্লাহ পাকের প্রিয় নবী ৫৫৫ ইরশাদ করেন: بُنِیَ الدِّیْنُ عَلَی النَّظَافَۃِ অর্থাৎ দ্বীনের ভিত্তি হলো পবিত্রতার উপর। (আশ শিফা, ১/৫৬) আল্লাহ পাক আমাদেরকে পরিষ্কার – পরিচ্ছন্ন ও পবিত্রতা নসীব করুক।
اٰمِين بِجا هِ خَاتَمِ النَّبِيّٖنصَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami