Share this link via
Personality Websites!
যাচ্ছে, * আমাদের প্রতিটি নিঃশ্বাস আমাদেরকে কবরের গহ্বরের আরও কাছাকাছি করে দিচ্ছে। * আমাদের প্রতিটি নিঃশ্বাস দুনিয়ার জগৎ থেকে পরকালের জগতের দিকে খুবই দ্রুততার সাথে অগ্রসর হওয়া একটি কদম, * আমাদের প্রতিটি শ্বাস আমাদেরকে মৃত্যুর ফেরেশতার সাথে সাক্ষাতের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, * আমাদের প্রতিটি শ্বাস দুনিয়ার সফরকে সংক্ষিপ্ত করে দিচ্ছে, * আমাদের প্রতিটি শ্বাস আখিরাতের সাথে মিলিয়ে দেওয়ার মাধ্যম হচ্ছে। যেইমাত্র শ্বাসের এই মালাটি ছিড়ে যাবে, আমাদের আমলের ধারবাহিকতাও বন্ধ হয়ে যাবে, অতঃপর আফসোস আর অনুশোচনা ছাড়া আর কিছুই থাকবে না, এরপর আর কোন সুযোগ দেওয়া হবে না যে শুধুমাত্র একবার “سُبْحَانَ الله” বলে নিজের নেকী বৃদ্ধি করে নিবেন। এজন্য দুনিয়াতে পাওয়া এই জীবনকে গণিমত মনে করে নেকী করার এবং আখিরাতকে সুন্দর করার কাজে লেগে পড়ুন।
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! এতে কোন সন্দেহ নেই যে, প্রতিটি জিনিসের কোন না কোন উদ্দেশ্য থাকে, আমাদের পরিধানের কাপড় হোক, লিখার জন্য কলম হোক, থাকার ঘর হোক, হাতে পরিহিত ঘড়ি হোক, বাইক (মোটর-সাইকেল) হোক বা উড়ো জাহাজ, প্রত্যেক কিছুর কোন না কোন উদ্দেশ্য অবশ্যই আছে আর প্রতিটি জিনিস তার উদ্দেশ্য পূরণের কারণ হচ্ছে, একটু ভাবুন! যেখানে পৃথিবীর সমস্ত জিনিস নিজের মধ্যে কোন না কোন উদ্দেশ্য রাখে তবে কি মানুষকে কোন উদ্দেশ্য ছাড়া বানানো হয়েছে? এই আশরাফুল মাখলুকাতের সৃষ্টি করার কি কোন উদ্দেশ্য নেই? কী জনাব মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে কোন কারণ বা উদ্দেশ্যবিহীন? কখনো না! মানুষকে এই দুনিয়াতে
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami