Share this link via
Personality Websites!
ঘুমানোর ও জাগরণের সুন্নাত ও আদব
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! শায়খে তরিকত, আমীরে আহলে সুন্নাত دَامَتْ بَرَکَاتُہُمُ الْعَالِیَہ এর ১০১ মাদানী ফুল থেকে ঘুমানো ও জাগরণের সুন্নাত ও আদব শ্রবণ করি: * ঘুমানোর আগে প্রথমে বিছানা ভালোভাবে ঝেড়ে নিন যেন কাপড়ে কোন কষ্ট প্রদানকারী কীটপতঙ্গ ইত্যাদি থাকলে তা বের হয়ে যায় * ঘুমানোর আগে এই দোয়াটি পড়ুন: اَللّٰھُمَّ بِاسْمِکَ اَمُوْتُ وَاَحْیٰ অনুবাদ: হে আল্লাহ পাক! আমি তোমার নামে মারা (তথা ঘুমিয়ে) যাচ্ছি এবং জীবিত (তথা জাগ্রত) হবো। (বুখারী, ৪/১৯৪, হাদিস: ৪৩২৫) * আসরের পর ঘুমাবেন না বিবেক হ্রাস পাওয়ার ভয় রয়েছে। প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: যে ব্যক্তি আসরের পর ঘুমায় আর তার বিবেক হ্রাস পেতে থাকে তবে সে যেন নিজেকে তিরস্কার করে। (মুসনদে আবি ইয়া’লা, ৪,৪৮৯৭/২৭৮) * দুপুরে কায়লুলা (যথা কিছুক্ষণ ঘুমানো) মুস্তাহাব। (ফতোওয়ায়ে হিন্দিয়া, ৫/৩৭৪) সদরুশ শরীয়া, বদরুত তরিকা হযরত আল্লামা মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ আমজাদ আলী আযমী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: এটা সাধারণ ওই লোকদের জন্য হবে তারা রাতে জাগ্রত থাকে, রাতে নামায পড়ে, আল্লাহ পাকের যিকির করে অথবা কিতাবাদি অধ্যয়ন ইত্যাদিতে মশগুল থাকে আর রাত জাগার কারণে যেই ক্লান্তি হয়েছে কায়লুলা করার দ্বারা সেটা দূরীভূত হবে। (বাহারে শরীয়ত, অংশ: ১৬, ৩/৭৯) * দিনের শুরুতে ঘুমানো বা মাগরিব ও ইশার মাঝখানে ঘুমানো মাকরুহ। (ফতোওয়ায়ে হিন্দিয়া, ৫/৩৭৪) * ঘুমানোর ক্ষেত্রে মুস্তাহাব হলো এটা যে, পবিত্র অবস্থায় ঘুমানো এবং * কিছুক্ষণ ডান পার্শ্ব হয়ে আর কিছুক্ষণ বাম পার্শ্ব হয়ে (প্রাগুক্ত) * ঘুমানোর সময় কবরের কথা স্মরণ করা যে, ওখানে এরকম একাকী থাকতে হবে শুধুমাত্র আমল ব্যতীত আর কিছু সাথে থাকবে না।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami