Share this link via
Personality Websites!
নসীব হয় এমন লোকদের ফয়যান পাওয়া লোকেরা কিভাবে বরকত থেকে বঞ্চিত হতে পারে?
সংস্পর্শ অবশ্যই প্রভাব ফেলে!
হযরত মুসলেহ উদ্দীন সা’দী শে’রানী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ ভালো সংস্পর্শের গুরুত্বকে অত্যন্ত চমৎকারভাবে আলোকপাত করেছেন যেমন তিনি গুলিস্তানে সা’দীতে বলেন, যেটার অনুবাদ হলো কিছু এরকম: একদিন শৌচাগারে এক প্রকার সুগন্ধিযুক্ত মাটি আমার এক বন্ধুর হাত থেকে আমি পেয়েছি, আমি ওই মাটিকে বললাম তুমি কি মুশক নাকি আম্বর! তোমার মনমুগ্ধকর সুগন্ধি আমাকে বিমোহিত করেছে (এটা শুনে মাটি বলল) আমি তো নগন্য মাটি ছিলাম, কিন্তু আমি কিছু সময় পর্যন্ত ফুলের সংস্পর্শে ছিলাম, এই কারণেই আমার সঙ্গীর সৌন্দর্য আমাকে প্রভাবিত করেছিল (যার ফলে আমি সুগন্ধময় হয়ে উঠলাম), নইলে আমি আগের মতোই সেই ধুলো-ময়লাই হয়ে থাকতাম। (গুলিস্তানে সাদী, পৃ:৪)
ভালো সংস্পর্শের বরকত
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! যতটুকু সম্ভব হয় নেককার লোকদের সান্নিধ্যের সাথে সম্পৃক্ত হওয়া উচিত কেননা সংস্পর্শ মানুষ তো মানুষ যদি কোন পশুরও নসীব হয়ে যায় তবে সেটা আর সাধারণ পশু থাকে না বরং তার সেই সংস্পর্শ ও নিসবতের বরকতে সে অন্যান্য পশুর চেয়েও আলাদা হয়ে যায়, যেমন
আসহাবে কাহাফ رَضِیَ اللهُ عَنْہُمْ এর কুকুরের দিকে তাকান যে আগে শুধুমাত্র একটি সাধারণ কুকুর ছিল কিন্তু যখন সে আসহাবে কাহাফ رَضِیَ اللهُ عَنْہُمْ এর ভালোবাসা ও ভক্তি প্রকাশ করল তখন সে ওই আল্লাহ ওয়ালাদের ভালোবাসায় তাঁদের সাথী, সফরের সঙ্গী ও নিরাপত্তাদানকারী হয়ে গেল, আউলিয়ায়ে কেরাম رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِمْ এর সান্নিধ্যের বরকতের কী নসীব হলো, তার ভাগ্যও চমকে উঠল এবং তার মান ও মর্যাদা এত পরিমাণ বৃদ্ধি পেল
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami