Share this link via
Personality Websites!
আর যা কিছু নেক আমল করতে পেরেছি তা কবুল হয়েছে নাকি আমার মুখে ছুঁড়ে মারা হবে, আমি জানি না। (আদাবুল হাসান আল-বসরী, পৃষ্ঠা: ২৫-২৬-২৭)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! এটিও কামিল ঈমানের নিদর্শন। যার ঈমান যত মজবুত হয়, তার উপর খোদাভীতি তত প্রবল থাকে। হায়! আমাদেরও যদি খোদাভীতির দৌলত নসীব হয়ে যায়।
নিজের মধ্যে খোদাভীতি সৃষ্টির জন্য: * কুরআনুল করীম তিলাওয়াতের অভ্যাস করা উচিত, বিশেষ করে সেইসব আয়াত, যাতে আল্লাহর আযাব, জাহান্নাম ও কিয়ামতের আলোচনা রয়েছে। সেই আয়াতগুলোর অনুবাদ ও তাফসীর পড়ে বারবার তিলাওয়াত করা উচিত। * হাদীস শরীফে খোদাভীতির যে বর্ণনা রয়েছে তা পড়া উচিত। * খোদাভীতি সম্পর্কে রচিত কিতাবসমূহ পড়া উচিত। * খোদাভীতিসম্পন্ন বুযুর্গদের জীবনী পড়া উচিত। * অন্তত সপ্তাহে একবার কবরস্থানে যাওয়া উচিত, সেখানে ফাতেহা পড়ার পাশাপাশি এই চিন্তা করা উচিত যে, অচিরেই আমাকেও কবরে নামতে হবে, সেই সময় আমার অসহায়ত্ব কেমন হবে? তারপর কবরের বিষয়গুলো নিয়ে ভাবা উচিত। * কখনো কিয়ামতের দিন আল্লাহর সামনে উপস্থিত হওয়ার কথা ভাবা, কখনো জাহান্নামের কথা ভাবা। এই চিন্তাগুলো খোদাভীতি বিষয়ক পড়াশোনা ও বয়ান শোনার মাধ্যমে অর্জিত হয়। যখন এই চিন্তাগুলো মনে আসবে, তখন সেগুলোকে মনে গেঁথে নিতে হবে। যেমন; প্রতিদিন রাতে নির্জনে বসে কবর ও আখিরাতের কল্পনা করা। বারবার কবরস্থানে যাওয়ার মাধ্যমে اِنْ شَآءَ الله ধীরে ধীরে এই চিন্তাগুলো মনে বদ্ধমূল হয়ে যাবে।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami