Share this link via
Personality Websites!
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: এবং ঐসক লোক, যারা নিজ নিজ নামাযসমূহের প্রতি যত্নবান হয়।
!اَللهُ اَكْبَرُ এটিও কামিল মুমিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ গুণ। যে পূর্ণ ঈমানদার সে * নিজের নামাযের হিফাযত করে * নামায কাযা করে না * নামাযের ওয়াক্তের প্রতি খেয়াল রাখে * সুন্দরভাবে নামায পড়ে * বিনয় ও একাগ্রতা সহকারে আদায় করে।
কিন্তু আফসোস! আজকাল এই বিষয়েও অবস্থা খুব স্পর্শকাতর। নামাযীর সংখ্যা নেই বললেই চলে। অথচ নামায অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। মুসলমানদের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ফারুকে আযম رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর বাণী হলো: "যে নামাযের হিফাযত করে না, দ্বীনে তার কোনো অংশ নেই।" (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, কিতাবুত তাহারাত, খন্ড: ১, পৃষ্ঠা: ১১৬, হাদীস: ৫৭৯) হায়! আমাদের যেন নামাযের চিন্তা নসীব হয়ে যায়।
আপনারা কুরআনুল করীম পড়ুন! পঞ্চম পারায় সালাতুল খউফ (ভয়ের নামায) এর বর্ণনা আছে। সালাতুল খউফ কী? যুদ্ধের ময়দানে আদায়কৃত নামায...!! একবার অমুসলিমরা ষড়যন্ত্র করেছিল যে, মুসলমানদের নিকট নামায খুব প্রিয়, যখন তারা নামায আদায় করবে তখন আমরা আক্রমণ করব। আল্লাহ পাক তাঁর হাবীব صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কে সালাতুল খউফ এর আদেশ দিলেন যে, যুদ্ধের ময়দানে যখন নামাযের ওয়াক্ত হবে তখন যেন অর্ধেক সাহাবী নামাযে অংশগ্রহণ করেন এবং অর্ধেক পাহারা দেন, তারপর বাকি অর্ধেক জামাআতে অংশগ্রহণ করবেন এবং প্রথম দল পাহারা দেবেন। মোটকথা সালাতুল খউফ এর একটি পূর্ণ পদ্ধতি রয়েছে, যা কিতাবে লেখা আছে।
বলার উদ্দেশ্য হলো যে, আজ আমরা সামান্য কাজের অজুহাতে নামায কাযা করে দিই, জামাআত ছেড়ে দিই; অথচ নামায এত গুরুত্বপূর্ণ যে, যুদ্ধের ময়দানেও যেখানে অমুসলিমরা
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami