Share this link via
Personality Websites!
করতে থাকে, ঘন্টার পর ঘন্টা এই অনর্থক কাজে নষ্ট হয়ে যায়। * রাত পার হয়ে যায় * ঘুম পূর্ণ হয় না * শরীর খারাপ হয় * প্রয়োজনীয় কাজগুলো অপূর্ণ থেকে যায়। হায় আফসোস!
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! বিশ্বাস করুন! অনর্থক কাজে লিপ্ত হওয়া এবং সময় নষ্ট করা মুসলমানের শানের পরিপন্থী। একজন সত্যিকারের মুসলমানের জীবনে অবসর বলে কোনো শব্দ নেই। আমাদের এখানে যেমন বলা হয়; "অবসর ছিলাম তাই মন ভালো করতে এটি করছি" অথবা "টাইম পাস করছি" ইত্যাদি। এটি মুমিনদের পদ্ধতি নয়। একজন মুসলমান কখনো অবসর হতে পারে না। হযরত কাযী শুরাইহ رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ দুই ব্যক্তিকে অনর্থক কাজ করতে দেখে বলেছিলেন: اَلْفَارِغُ مَا اُمِرَ بِھَذَا অর্থাৎ অবসর ব্যক্তিকে এই কাজের আদেশ দেওয়া হয়নি। আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন:
(তাফসীরে কবীর, পারা: ৩০, সূরা আলাম নাশরাহ, ৭নং আয়াতের পাদটীকা, ১১/২০৯)
فَاِذَا فَرَغْتَ فَانْصَبْۙ(۷)
(পারা ৩০, সূরা আলাম নাশরাহ, আয়াত ৭)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: অতএব, যখন আপনি নামায থেকে অবসর হবেন তখন দুআ’র মধ্যে পরিশ্রম করুন।
অর্থাৎ নিজের অবসর সময়কে ইবাদতে ব্যয় করো! এর মানে হলো; যখন একটি ইবাদত থেকে অবসর হবে তখন আরেকটি শুরু করো এবং কোনো সময় ইবাদত শূন্য থেকো না, কারণ জগত সৃষ্টির আসল উদ্দেশ্য এটাই। (আনোয়ারে জামালে মুস্তফা , পৃষ্ঠা: ৩২৩)
(২) নামাযের হিফাযতকারী
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! কামিল মুমিনের দ্বিতীয় নিদর্শন হলো; সে নামাযের হিফাযত করে। আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন:
وَ الَّذِیْنَ هُمْ عَلٰى صَلَوٰتِهِمْ یُحَافِظُوْنَۘ(۹)
(পারা ১৮, সূরা মুমিনুন, আয়াত ৯)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami