Share this link via
Personality Websites!
হলো নতুন একটি জীবন দানকারী মাস, অর্থাৎ যে মাহে রমযানের রোযা রাখল সে গুনাহ থেকে পবিত্র হয়ে গেল, এখন সে এমনই যেন সে আজই জন্ম হয়েছে। যা কবীরা গুনাহ রয়েছে যেমন * নামায না পড়া * রোযা না রাখা * মুসলমানকে অন্যায়ভাবে কষ্ট দেওয়া ইত্যাদি, এসব গুনাহের ক্ষমা তাওবার মাধ্যমেই হতে পারে অবশ্য মাহে রমযান ক্ষমাদানকারী মাস, এই লক্ষ লক্ষ ওইসব লোককে ক্ষমা করে দেওয়া হয়, যাদের উপর জাহান্নাম ওয়াজিব হয়ে গেছে সুতরাং আমরা আল্লাহ পাকের রহমতের আশা রাখতে পারি যে, হয়তো আমাদেরকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছে। অতএব! মাহে রমযানের পর এখন নতুন জীবনের সূচনা হয়েছে। এখন আমাদের এটাকে একটি নতুন জীবন বানাতে হবে অর্থাৎ একটি আমাদের মাহে রমযানের পূর্বের জীবন আরেকটি হলো মাহে রমযানের পরের জীবন শুরু হলো, আমাদেরকে এই দুটি জীবনের মধ্যে পরিবর্তন আনা উচিত যেমন, * আগে নামায না পড়ে থাকলে এখন পাঁচ ওয়াক্ত নামায জামাআত সহকারে আদায় করার অভ্যাস করা উচিত * আগে যদি সুন্নাতের উপর আমল করার বিষয়ে উদাসিনতা থাকে তবে এখন সুন্নাতের উপর আমল করা শুরু করতে হবে * আগে মন্দ স্বভাব ছিল তো এখন উত্তম স্বভাব বানাতে হবে * পূর্বে ইবাদতে অলসতা ছিল তো ইবাদতে আগ্রহ বাড়াতে হবে। মোটকথা রমযানুল মুবারকের পর আর আগের জীবনের মধ্যে স্পষ্ট পরিবর্তন আনতে হবে কেননা এখন নতুন একটি জীবনের সূচনা হয়েছে।
আল্লাহ পাককে সন্তুষ্টিকারী কাজ
এখন যেহেতু খুশির দিন, ঈদের আমেজ চলছে আর রমযানুল মুবারকের পর এখন নতুন জীবন শুরু হচ্ছে সুতরাং আসুন! কিছু ঈমান সতেজকারী হাদিসে মুবারকা শ্রবণ করি এবং
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami