Book Name:আল্লাহকে সন্তুষ্টকারী কাজ
ঈদের রোযাও বলা হয়ে থাকে, রেওয়ায়েতের মধ্যে রয়েছে: * যে রমযানের রোযা রাখল অতঃপর সেগুলোর পর শাওয়ালের ৬টি রোযা রাখল তো সে যেন সারাজীবন রোযা রাখল। (মুসলিম, পৃ:৪২৪, হাদিস: ১১৬৪) * যে ঈদুল ফিতরের পর (শাওয়ালে) ৬টি রোযা রাখল সে যেন পুরো বছর রাখল যা একটি নেকী অর্জন করবে সে ১০টি নেকী পাবে। সুতরাং মাহে রমযানের রোযা হলো ১০ মাসের সমান আর এই ৬দিনের রোযা হলো ২ মাসের সমান। অতএব পুরো বছরের রোযা হয়ে গেল।
(আত্তাগীব ওয়াত্তাহীব, পৃ: ৩৪৬ , হাদিস: ২)
ঈদের ছয় রোযা কখন রাখবেন?
! سُبْحَانَ الله ঈদের ছয় রোযার কথা কী আর বলব…!! اَلْحَمْدُ لِلّٰه মাহে রমযানের রোযা রাখার সৌভাগ্য নসীব হয়েছে, এখন রোযা রাখা একটি রুটিন তো হয়েছে, আমাদের উচিত ঈদের ছয়টি রোযাও রেখে নেওয়া, اِنْ شَآءَ الله সারাজীবন রোযা রাখার সাওয়াব নসীব হবে। খলিলে মিল্লাত মুফতি মুহাম্মদ খলিল বারকাতী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: এই রোযাগুলো ঈদের পর লাগাতার রাখলে তাতেও কোন সমস্যা নেই তবে উত্তম হলো, প্রতি সাপ্তাহে ২টি করে রোযা রাখা আর ঈদের দ্বিতীয়দিন একটি রোযা রাখা এবং পুরো মাসে রাখো তো আরও ভালো হয়। (সুন্নী বেহেশতী জেওর, পৃ: ৩৪৭)
মোটকথা ঈদের দিন রোযা রাখতে পারবেন না, এর পর থেকে পুরো মাসে যখন চান ঈদের ছয় রোযা রাখতে পারবেন। আল্লাহ পাক আমাদেরকে নফল রোযা রাখার সৌভাগ্য নসীব করুক।
اٰمِين بِجا هِ خَاتَمِ النَّبِيّٖنصَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم
নতুন জীবনের নতুন সূচনা
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! হাদিসে মুবারকা থেকে দ্বিতীয় আরও একটি বিষয় আমাদের এটি মিলেছে যে, মাহে রমযান