আল্লাহকে সন্তুষ্টকারী কাজ

Book Name:আল্লাহকে সন্তুষ্টকারী কাজ

কাউকে) প্রাধান্য দেয় তো আল্লাহ পাক তাকে মাফ করে দেন (ইহইয়াউল উলুমুদ্দীন, /১১৫)

বিবি ফাতেমার ঈছার

    হযরত ইমাম হাসান মুজতবা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ বলেন: একদিন কিছুদিন অনাহারের পর আমাদের ঘরে খাবার রান্না করা হলো, আমার আব্বাজান মাওলা আলী আমার ছোট ভাই হযরত ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ খাবার শেষ করে নিয়েছিল, কিন্তু আমার আম্মা হযরত বিবি ফাতেমা رَضِیَ اللهُ عَنْہَا এখনও আহার করেননি, তিনি যখনই খাবার শুরু করতে লাগলেন, দরজায় কেউ করাঘাত করল আর বলতে লাগল: হে রাসূলুল্লাহর কন্যা! আমি দুইদিন ধরে কিছু খাইনি আমাকে কিছু খেতে দিন হযরত ফাতেমা رَضِیَ اللهُ عَنْہَا খাবারকে হাত উঠিয়ে নিলেন আর হুকুম দিলেন যাও! এই খাবারগুলো ভিক্ষুককে দিয়ে দাও, আমি তো একদিন খাবার খাইনি আর সে ২দিন ধরে উপবাস রয়েছে (মদীনার মাছ, পৃ:২৪)

অন্যকে খাবার খাওয়ানোর মহান সাওয়াব

    প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আপনারা শুনেছেন যে, বিবি ফাতেমা رَضِیَ اللهُ عَنْہَا উপবাস থাকা সত্বেও নিজের খাবার ঈছার করলেন, আমাদেরকে এই পবিত্র ব্যক্তিত্বদের কাছ থেকে শিক্ষা নেওয়া দরকার, বিশ্বাস করুন! ক্ষুধার্তকে খাবার খাওয়ানো আর পিপাসার্তকে পান করানো অনেক বড় সাওয়াবের কাজ। এই প্রসঙ্গে ২টি প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর বাণী শ্রবণ করুন: () যে কোন মুসলমানকে ক্ষুধার্ত অবস্থায় খাবার দিল, আল্লাহ পাক তাকে কিয়ামতের দিন জান্নাতের ফল খাওয়াবেন আর যে কোন মুসলমানকে পিপাসার্ত অবস্থায় পান করালো, আল্লাহ পাক তাকে কিয়ামতের দিন মোহর বিশিষ্ট পবিত্র পরিচ্ছন্ন শরাব পান করাবেন। (তিরমিযী, পৃ:৫৮১, হাদিস: ২৪৪৯) () যে কোন মুসলমানকে ক্ষুধার্ত অবস্থায় পেট ভরে খাবার খাওয়াবে আল্লাহ পাক তাকে