Book Name:মেহমানদারীর আদব
তিনি আমাদের চমৎকার মেহমানদারী করেছেন। অতঃপর প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করলেন: اِنَّما هٰذِہِ الْاَخْلَاق ُ بِیَدِ الله অর্থাৎ এই উত্তম চরিত্র আল্লাহ পাকের কুদরতে, আল্লাহ পাক যাকে চান উত্তম চরিত্র দান করেন।
(মাকারিমুল আখলাক লিল খারাইতী, খণ্ড: ২, পৃষ্ঠা: ১৫৮, হাদীস: ৩৩২)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! এই ঘটনার উপর একটু চিন্তা করুন! এই একটি ঘটনায় অনেকের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। * কতযে এমন মানুষ আছে, যাদের আল্লাহ পাক অনেক নেয়ামত দিয়েছেন, অনেক সম্পদ দান করেছেন, কিন্তু তাদের মন অনেক ছোট। * মেহমান আসলে তাদের অন্তর মলিন হয়ে যায় * চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে যায় * অন্যদের পানাহার করানোর ক্ষেত্রে অনেক কৃপণতা করে। * অন্যদিকে কতযে এমন মানুষও রয়েছে, যাদের সম্পদ থাকুক বা না থাকুক, যাদের আল্লাহ পাক ধনী করেছেন বা গরিব রেখেছেন কিন্তু তাদের মন অনেক বড় দান করেছেন। * কতযে এমন মানুষ হয়ে থাকে; তাদের এখানে একবার গেলে তাদের মেহমানদারীর ধরন, তাদের ঐ আবেগঘন সম্ভাষন, তাদের খুশিতে মেলামেশার ধরণ সারা জীবন মনে থাকে। এটি আল্লাহ পাকের দান; আল্লাহ পাক যাকে চান বড় মন এবং উত্তম চরিত্র দান করেন।
এখন আমরা এই বিষয়ে চিন্তা করব যে, আমি কোন ধরনের মানুষের মধ্যে গন্য হই? * আমি কি ঐসব লোকদের মধ্যে, যাদের আল্লাহ পাক উত্তম চরিত্রের জন্য নির্বাচিত করেছেন? * আমার ভেতরে কি মেহমানদারীর গুণ রয়েছে? * আমি কি আমার ঘরে আসা মেহমানের আবেগঘন সম্ভাষন করি না কি করি না...? যদি নিজেকে একজন ভালো মেহমানদার হিসেবে পান, তবে এতে খুশি হওয়া উচিত এবং আল্লাহ পাকের