Share this link via
Personality Websites!
(২) একটি নিজের স্ত্রীর জন্য (৩) এবং তৃতীয়টি মেহমানের জন্য।
(মাকারিমুল আখলাক লিল খারাইতী, খণ্ড: ২, পৃষ্ঠা: ১৯৯, হাদীস: ৩৭২)
দেখুন! এই রেওয়ায়েতের মাধ্যমে আমাদের এই শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে যে, একজন মুসলমানকে মেহমানের আগমন এবং তার খাতির-যত্নের জন্য, তার আরামের জন্য সবসময় প্রস্তুত থাকা উচিত। এমনকি যখন ঘরের জন্য বিছানা তৈরি করবেন তখন শুধুমাত্র নিজের ঘরের সদস্যদের সংখ্যার ভিত্তিতে বিছানা তৈরি করবেন না বরং মেহমানের জন্যও এখন থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে নিন! কিছু বিছানা অতিরিক্তও বানিয়ে নিন, যাতে মেহমান আসলে তার উত্তম মেহমানদারী করা যায়।
ভালো মানুষের একটি নিদর্শন
একইভাবে একটি হাদীসে পাকে মেহমানদারীকে মানুষের চরিত্রের সাথে যুক্ত করে বর্ণনা করা হয়েছে। রাসূলে পাক صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: لَا خَیْرَ فِیْمَن لَا یُضَیِّفُ অর্থাৎ ঐ বান্দার মাঝে কোনো কল্যাণ নেই, যে মেহমানদারী করে না।
(মাকারিমুল আখলাক লিল খারাইতী, খণ্ড: ২, পৃষ্ঠা: ১৫৫, হাদীস: ৩২৯)
দেখুন! মেহমানদারীকে কতটুকু গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এটি জানানো হচ্ছে যে, মানুষের ভালো হওয়া ও মন্দ হওয়া, তার অনিষ্ট ও তার কল্যাণের মানদণ্ড হলো মেহমানদারী। * যে মেহমানদার * মেহমানের সম্মান করে * মেহমানকে আরাম ও প্রশান্তি প্রদান করে * মেহমান ঘরে আসলে খুশিতে প্রফুল্ল হয়ে উঠে, সে মানুষটি অনেক ভালো; তার চরিত্রে, তার আচরণে, তার জীবনী ও সত্তায় কল্যাণ রয়েছে। আর * যে বান্দা মেহমানের সম্মান করে না * মেহমান ঘরে আসলে তার মুখ মলিন হয়ে যায় * মনে মনে চিন্তিত হয়ে যায় * মেহমানের
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami