Book Name:মেহমানদারীর আদব
মেরে খোয়াব মেঁ তুম আনা মাদানী মদীনে ওয়ালে
(ওয়াসায়িলে বখশিশ, পৃষ্ঠা: ৪২৪)
ইমাম বুখারী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর সংক্ষিপ্ত পরিচয়
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! ১লা শাওয়াল শরীফ ইমাম মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বুখারী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এই নশ্বর দুনিয়ায়ে থেকে বিদায় নিয়েছেন। এরই প্রেক্ষিতে তাঁর সংক্ষিপ্ত উত্তম আলোচনা শুনি: তিনি رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ অনেক বড় ওলীআল্লাহ, অনেক বড় আলিমে দ্বীন এবং বিশেষভাবে ইলমে হাদীসের অনেক বড় ইমাম ছিলেন। তিনি رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ ১৩ই শাওয়াল শরীফ ১৯৪ হিজরীতে বুখারায় জন্মগ্রহণ করেন (হিদায়াতুস সারী, পৃষ্ঠা: ৪৯) এবং ৬২ বছর বয়স অতিবাহিত করে ১লা শাওয়াল শরীফ ২৫৬ হিজরীতে নশ্বর দুনিয়া থেকে বিদায় নেন। (হিদায়াতুস সারী, পৃষ্ঠা: ১৭৯) তাঁর নূরানী মাযার শরীফ সমরখন্দের নিকট “খরতঙ্ক” নামক বসতিতে অবস্থিত। (হিদায়াতুস সারী, পৃষ্ঠা: ১৭৭)
ইমাম বুখারী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ সারা জীবন ইলমে হাদীসের খুব খেদমত করেছেন। তিনি رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ অনেক বড় ইবাদতগুজার, যাহিদ এবং মুত্তাকী ছিলেন। তাঁর ওফাতের পর দীর্ঘ সময় পর্যন্ত তাঁর কবর শরীফ থেকে মুশকের চেয়েও উত্তম সুঘ্রাণ আসতে থাকত। লোকেরা তাবাররুক হিসেবে (অর্থাৎ বরকত অর্জনের জন্য) তাঁর মাযার মুবারকের মাটি নিয়ে যেত। (হিদায়াতুস সারী, পৃষ্ঠা: ১৭৮) আজকের দিনে ইমাম বুখারী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর জন্য ইসালে সাওয়াবও করুন! اِنْ شَآءَ الله বরকত নসীব হবে।
শাওয়ালের ৬ রোযার উৎসাহ
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! ভাগ্যবান মুসলমানগণ ঈদুল ফিতরের পর ৬টি রোযা রাখার সৌভাগ্য লাভ করেন। আসুন এই রোযাগুলোর ফযীলত শুনি, যাতে আমাদের এই রোযাগুলো রাখার এবং এগুলোর বরকত লাভ করার মানসিকতা তৈরি হয়। * যেমনটি হাদীসে পাকে রয়েছে: যে ব্যক্তি রমযানের রোযা রাখল