Book Name:মেহমানদারীর আদব
বাজার থেকে কিছু মালামাল আনতে হবে, তা তো অবশ্যই ঘরের বাচ্চাদের দিয়ে, ছেলে দিয়ে করানো যেতে পারে কিন্তু চেষ্টা করা উচিত নিজে শারীরিকভাবে মেহমানদারীতে কিছু অংশ অবশ্যই রাখা। কিছুদিন আগের কথা, শায়খে তরিকত আমীরে আহলে সুন্নাত دَامَتْ بَرَکَاتُہُمُ الْعَالِیَہ নিজের বাড়িতে দারুল ইফতা আহলে সুন্নাতের মুফতিয়ানে কেরামদের দাওয়াত করেছিলেন। এখন আমীরে আহলে সুন্নাতের বয়স মুবারক যথেষ্ট হয়েছে; স্বাভাবিকভাবেই বয়সের বিচারে কিছু শারীরিক সমস্যাও থাকে। এরপর তিনি পীর সাহেবও; যেসব মেহমান ঐ সময় উপস্থিত ছিলেন তাদের অনেকে তো তাঁর মুরিদও ছিলেন। তা সত্ত্বেও আমীরে আহলে সুন্নাতের বিনয়, তাঁর ওলামায়ে কেরামদের প্রতি ভালোবাসার প্রতি শত মারহাবা...!! তিনি মুফতিয়ানে কেরামদের দস্তরখানায় বসালেন এবং খাবারের থালা নিজের হাতে দস্তরখানায় রাখলেন এবং মুফতিয়ানে কেরামদের খুব চমৎকারভাবে মেহমানদারী করলেন।
এভাবে আমাদেরও উচিত যে, যখন মেহমান তাশরীফ আনবেন তখন নিজে এগিয়ে গিয়ে, যতটুকু সম্ভব নিজে দৌঁড়ঝাঁপ করে তাদের মেহমানদারীর ব্যবস্থা করা এবং সম্ভব হলে দস্তরখানাও নিজে বিছানো, দস্তরখানায় খাবারও নিজেই রাখা। এভাবে মেহমানের সম্মান করলে اِنْ شَآءَ الله সাওয়াব অর্জিত হবে।
মেহমানদারীর আরও কয়েকটি আদব
হুযুর দাতা গঞ্জবখশ আলী হাজভেরী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ মেহমানদারীর আরও কয়েকটি আদব লিখেছেন। শুনুন! তিনি লিখেন: * যখন মেহমান আসবে তখন অত্যন্ত হাসিমুখে (অর্থাৎ মুচকি হেসে, আবেগঘনভাবে) সম্ভাষণ জানান! * তাকে সম্মানের জায়গায় বসান! * মেহমানের আগমনকেও আল্লাহর পক্ষ থেকে মনে