Share this link via
Personality Websites!
হয়ে আসলেন, তখন তিনি তড়া করলেন। মেহমানদের অপেক্ষা করাননি বরং তৎক্ষণাৎ বাছুর জবাই করলেন এবং তা রান্না করিয়ে মেহমানদের সামনে হাজির করে দিলেন।
এজন্য আমাদেরও উচিত যে, যখন ঘরে মেহমান আসবে তখন দ্রুত তাঁর মেহমানদারী করা। মেহমানকে পানি প্রদান করা, চা বানানো, খাবার বানানো, যেমন সুযোগ হয়, যেমন মেহমান হয়, যেমন মৌসুম চলছে, সেই অনুযায়ী দ্রুত মেহমানদারীতে লেগে যাওয়া।
৬টি কাজে তড়া করা জরুরী
বুযুর্গানে দ্বীনের (অর্থাৎ আল্লাহ পাকের নেক বান্দা) বাণী: তড়া করা শয়তানি কাজ কিন্তু ৬টি কাজে তড়া অবশ্যই করা উচিত: (১) যখন নামাযের সময় হয়ে যায় তখন নামায পড়তে তড়া করা জরুরী (নতুবা শয়তান অলসতা দিবে এবং নামায কাযা করিয়ে দিবে) (২) মৃতকে দাফন করায় (৩) যখন মেয়ে প্রাপ্তবয়ষ্ক হয়ে গেলে তার বিবাহে তড়া করা! (৪) ঋণ নিয়েছেন এবং পরিশোধের সামর্থ্য আছে তবে দ্রুত পরিশোধ করা উচিত (৫) গুনাহ হয়ে গেলে তাওবা করায় তড়া করা (৬) যখন মেহমান তাশরীফ আনবেন তখন তাকে দ্রুত খাবার খাওয়ানো।
(রূহুল বয়ান, পারা: ১৫, সূরা বনী ইসরাঈল, ১১নং আয়াতের পাদটীকা, খণ্ড: ৫, পৃষ্ঠা: ১৩৭)
তৃতীয় আদব: মেহমানদারী নিজের হাতে করুন!
হযরত ইব্রাহিম عَلَیْہِ السَّلَام এর মেহমানদারী থেকে তৃতীয় আদব এটি শিখলাম যে, মেহমান তাশরীফ আনলে নিজে সরাসরি তার মেহমানদারী করা। দেখুন! হযরত ইব্রাহিম عَلَیْہِ السَّلَام আল্লাহ পাকের নবী; তাঁর হাজার হাজার ভক্তও ছিল। তা সত্ত্বেও তিনি নিজে বাছুর জবাই করেছেন এবং নিজে সরাসরি মেহমানদের খাতির-যত্নে ব্যস্ত হয়েছেন।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami