Share this link via
Personality Websites!
একটি বাছুর জবাই করলেন, তা রান্না করালেন এবং দ্রুত এনে মেহমানদের সামনে রাখলেন।
(সীরাতুল জিনান, পারা: ২৬, সূরা যারিয়াত, ২৬নং আয়াতের পাদটিকা, খণ্ড: ৯, পৃষ্ঠা: ৪৯৯)
এটি হযরত ইব্রাহিম عَلَیْہِ السَّلَام এর অনন্য মেহমানদারী ছিল। ওলামায়ে কেরাম এই ঘটনা থেকে মেহমানদারীর অনেক আদব বের করেছেন।
প্রথম আদব: প্রত্যেকের মেহমানদারী করুন!
ওলামায়ে কেরাম বলেন: এতে একটি তো এই আদব যে, হযরত ইব্রাহিম عَلَیْہِ السَّلَام ফেরেশতাদের নাম পর্যন্ত জিজ্ঞেস করেননি। এ থেকে আমাদের শেখার আছে যে, মেহমানদারীর জন্য এটি জরুরী নয় যে, মেহমান আমাদের পরিচিতই হতে হবে; যদি কোনো অপরিচিত ব্যক্তিও আমাদের বাড়িতে আসে তবে তারও মেহমানদারী করা উচিত।
(কাশফুল মাহজুব, পৃষ্ঠা: ৪০৬)
আজকাল যেমন পরিস্থিতি উল্টোপাল্টা, সিকিউরিটির সমস্যা হতে পারে, সেই বিচারে তো আমরা সতর্কতা অবলম্বন করব। তবে এটি আমাদের চরিত্রের অংশ হওয়া উচিত যে, কেউ আমাদের সাথে দেখা করতে আসলে, সে আমাদের আত্মীয় হোক বা না হোক, বন্ধু হোক বা অপরিচিত, আমরা তার সাথে উত্তমভাবেই মিলিত হব, উত্তম আচরণ প্রদর্শন করব এবং উত্তমভাবে তার মেহমানদারী করব।
দ্বিতীয় আদব: মেহমানদারীতে তড়া করুন!
এ থেকে মেহমানদারীর দ্বিতীয় আদব আমরা এটি শিখলাম যে, যখন কোনো মেহমান আমাদের বাড়িতে তাশরীফ আনবেন তখন তার মেহমানদারিতে তড়া করা উচিত! দেখুন! হযরত ইব্রাহিম عَلَیْہِ السَّلَام এর ঘরে ফেরেশতারা মানুষের আকৃতিতে মেহমান
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami