Book Name:মেহমানদারীর আদব
মেহমানদারীর আদব
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! মেহমানদারী অনেক ভালো আমল, নেকীর আমল; কিন্তু আক্ষেপের বিষয় এটি যে, আমাদের এখানে এই নেক কাজটিকে প্রথমত নেকী মনে করে করা হয় না, দ্বিতীয়ত এই ভালো কাজের আদবগুলোর খেয়ালও লোকে রাখে না। অনেক সময় মেহমান আসলে এই কারণে গুনাহের ধারাবাহিকতাও বেড়ে যায়। যেমন;
* বেপর্দা হয়ে থাকে; খালাতো ভাই, মামাতো ভাই, ফুফাতো ভাই, চাচাতো ভাই, চাচী, মামীর সাথে পর্দা রয়েছে কিন্তু সাধারণত পর্দার খেয়াল রাখা হয় না। এভাবেও গুনাহের অবস্থা তৈরি হয়। * একইভাবে অনেকসময় মেহমান বা মেজবানের মনোকষ্টের অবস্থাও তৈরি হয়। * আরও অনেক অবস্থা রয়েছে যে, মেহমানদের আগমনে যখন তার আদবগুলোর খেয়াল রাখা হয় না, তখন সমস্যা সৃষ্টি হয়। অনেকসময় লড়াই-ঝগড়াও হয়ে থাকলে তা অস্বাভাবিক নয়। যাই হোক! আমাদের শরীয়তের এটি বৈশিষ্ট্য যে, এতে নেক আমলের শুধুমাত্র ফযীলতই বর্ণনা করা হয় না বরং নেকী করার আদব উত্তমভাবেও শেখানো হয়। এজন্য মেহমানদারীর আদবও শিখে নেওয়া উচিত।
মেহমানদারির আদবসমূহ
হাদীসে পাকে ইরশাদ হয়েছে: اِذَا جَاءَکُمُ الزَّائِرُ فَاَکْرِمُوْہُ অর্থাৎ যখন তোমাদের নিকট কোনো মেহমান আসে, তখন তার সম্মান করো!
(মাকারিমুল আখলাক লিল খারাইতী, খণ্ড: ২, পৃষ্ঠা: ১৫৬, হাদীস: ৩৩০)
এখানে দেখুন! আমাদের হুকুম দেওয়া হয়েছে যে, মেহমানের সম্মান করো! তার ইজ্জত করো! এখন এই ইজ্জতের মানে কী? ঐসকল কাজ যা আমরা আমাদের মেহমানের জন্য