Share this link via
Personality Websites!
কৃতজ্ঞতাও জ্ঞাপন করা উচিত। যদি আল্লাহ না করুন এমনটি না হয়, আপনি নিজেকে মেহমানদার হিসেবে না পান, তবে এটি চিন্তার বিষয়; কারণ ঐ মানুষে কোনো কল্যাণ নেই, যে মেহমানদার নয়। আল্লাহ পাক আমাদের একনিষ্টতার সহিত সর্বোত্তমভাবে মেহমানদারীর তৌফিক নসীব করো। اٰمین بِجاہِ خاتَمِْالنَّبِیّٖن صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم
অপূর্ব মেহমানদারী, অনন্য প্রতিদান
খুবই প্রসিদ্ধ ঘটনা; প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর দরবারে একবার একজন ক্ষুধার্ত ব্যক্তি হাজির হলো। প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم সমস্ত উম্মাহাতুল মুমিনীনদের رَضِیَ اللهُ عَنْہُنَّ ঘরে খবর নিলেন যে, কোনো খাবারের জিনিস পাওয়া যায় কি না; কিন্তু কারো নিকট কোনো খাবারের বস্তু ছিল না। রাসূলুল্লাহ صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم সাহাবায়ে কিরামদের عَلَیْہِمُ الرِّضْوَان ইরশাদ করলেন: যে ব্যক্তি একে মেহমান বানাবে, আল্লাহ পাক তার প্রতি রহমত অবতীর্ণ করবেন। হযরত আবু তালহা আনসারী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ দাঁড়িয়ে গেলেন এবং মেহমানকে নিজের বাড়িতে নিয়ে গেলেন। বাড়ি গিয়ে তাঁর স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলেন: ঘরে কোনো খাবার আছে? তিনি বললেন: শুধু বাচ্চাদের জন্য সামান্য রাখা আছে। হযরত আবু তালহা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ বললেন: বাচ্চাদের ভুলিয়ে-ভালিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দাও আর যখন মেহমান খেতে বসবে তখন প্রদীপ ঠিক করার বাহানায় প্রদীপ নিভিয়ে দাও, যাতে মেহমান ভালোভাবে খেয়ে নিতে পারে। এই কৌশল এই জন্য করলেন যাতে মেহমান এটি জানতে না পারে যে, বাড়ির লোকেরা তার সাথে খাচ্ছে না; নতুবা সে পীড়াপীড়ি করবে আর খাবার অল্প, একারণে মেহমান ক্ষুধার্ত রয়ে যাবে। এভাবে হযরত আবু তালহা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ মেহমানকে খাবার খাইয়ে দিলেন এবং বাড়ির লোকেরা নিজেরা ক্ষুধার্ত থেকে রাত কাটালেন। যখন
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami