Share this link via
Personality Websites!
উৎসাহিত করে যে, এই অনুভূতি স্থায়ীভাবে আমাদের ভেতরে থাকা উচিত। সেই শিক্ষা, সেই অনুভূতি কী? শুনুন! আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন:
اِنَّ الَّذِیْنَ لَا یَرْجُوْنَ لِقَآءَنَا وَ رَضُوْا بِالْحَیٰوةِ الدُّنْیَا وَ اطْمَاَنُّوْا بِهَا وَ الَّذِیْنَ هُمْ عَنْ اٰیٰتِنَا غٰفِلُوْنَۙ(۷) اُولٰٓىٕكَ مَاْوٰىهُمُ النَّارُ بِمَا كَانُوْا یَكْسِبُوْنَ(۸)
(পারা ১১, সূরা ইউনুস, আয়াত ৭,৮)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: নিশ্চয় ঐসব লোক, যারা আমার সাক্ষাতের আশা পোষণ করেনা এবং পার্থিব জীবনকেই পছন্দ করে বসেছে এবং সেটাতেই নিশ্চিন্ত হয়ে গেছে আর ঐসব লোক, যারা আমার আয়াতসমূহ থেকে বিমুখ রয়েছে; সেসব লোকের ঠিকানা দোযখ তাদের কৃতকর্মের পরিণাম স্বরূপ।
এই আয়াতে করীমার আগের আয়াতগুলোতে এই বিষয়টি দলীলসহ স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এই দুনিয়া নশ্বর, এই দুনিয়ার প্রতিটি জিনিস মুহূর্তের মধ্যে তার সমাপ্তির দিকে ধাবিত হচ্ছে; শীঘ্রই এই দুনিয়া ধ্বংস হয়ে যাবে। অতঃপর কিয়ামত কায়েম হবে এবং সবাইকে আল্লাহ পাকের দরবারে হাজির করা হবে। এই বিষয়টি দলীলসহ স্পষ্ট করার পর এই আয়াতগুলোতে (অর্থাৎ আয়াত ৭ ও ৮) অমুসলিমদের ৪টি মন্দের কথা বর্ণনা করা হয়েছে: (১) অমুসলিম লোকেরা কিয়ামতের দিন আল্লাহ পাকের দরবারে হাজির হওয়ার আশা রাখে না অর্থাৎ * তাদের অন্তরে কিয়ামতের ভয় নেই * তারা জাহান্নামকে ভয় পায় না * জান্নাতের আগ্রহও রাখে না। এটি ছিল তাদের প্রথম মন্দ কাজ। (২) দ্বিতীয় মন্দ কাজ হলো; এই লোকেরা দুনিয়ার এই সাময়িক ও নশ্বর জীবনকে পছন্দ করে নিয়েছে। (৩) তারা এই দুনিয়াবী জীবনের উপরই তৃপ্ত বা সন্তুষ্ট। (৪) এই লোকেরা আল্লাহ পাকের আয়াতসমূহ সম্পর্কে উদাসীন। তাদের এই চারটি মন্দের পরিণাম
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami