Book Name:আল্লাহ পাকের গোপন ব্যবস্থাপনা
ওয়াত-তারহীব, কিতাবুল ঈদাইন, পৃ: ৩৭৩) * যে বান্দা এই রাতটি আল্লাহ পাকের ইবাদতে কাটাবে আল্লাহ পাক তার অন্তর মৃত করবেন না। হাদীসে পাকে রয়েছে: যে ব্যক্তি ঈদদ্বয়ের (অর্থাৎ ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা) এর রাতে সাওয়াবের আশায় ইবাদত করল, সেদিন তার অন্তর মরবে না যেদিন মানুষের অন্তরসমূহ মরে যাবে। (ইবনে মাজাহ, পৃ: ২৮৪, হাদীস: ১৭৮২) * সমস্ত আশিকানে রাসূল বিশেষ করে ইতিকাফকারীদের উচিত এই রাতটি মসজিদে আল্লাহ পাকের ইবাদতে কাটানো; হযরত ইব্রাহিম নাখয়ী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: বুযুর্গানে দ্বীন رَحِمَہُمُ اللهُ الْمُبِيْن ইতিকাফকারীদের জন্য এই বিষয়টি পছন্দ করতেন যে, ঈদুল ফিতরের রাতটি যেন মসজিদেই কাটায়। (ফয়যানে রমযান, পৃ: ২৭৯, ২৮০)
শাওয়ালের ৬ রোযার উৎসাহ
হে আশিকানে রাসূল! রমযানুল মোবারকের পর শাওয়ালুল মোকাররমের আগমন। সৌভাগ্যবান মুসলমানগণ এই মাসে ঈদুল ফিতরের পর ৬টি রোযা রাখার সৌভাগ্য অর্জন করেন। আসুন এই রোযাগুলোর ফযীলত শুনি যাতে আমাদের এই রোযাগুলো রাখার এবং এর বরকতসমূহ অর্জন করার মানসিকতা তৈরি হয়। * যেমনটি হাদীসে পাকে রয়েছে: যে ব্যক্তি রমযানের রোযা রাখল অতঃপর ৬ দিন শাওয়ালের রোযা রাখল, তবে সে গুনাহ থেকে এমনভাবে বেরিয়ে গেল যেন আজই মায়ের পেট থেকে জন্ম নিয়েছে। (মাজমাউয যাওয়ায়েদ, খণ্ড: ৩, পৃষ্ঠা: ৩২২, হাদীস: ৫১০২) * যে ব্যক্তি রমযানের রোযা রাখল অতঃপর এরপর শাওয়ালে ৬টি রোযা রাখল; তবে তা এমন যেন সারা জীবনের রোযা রাখল। (মুসলিম, পৃ: ৪২৪, হাদীস: ১১৬৪) * খলীলে মিল্লাত মুফতি মুহাম্মদ খলীল খাঁন বরকাতী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: এই রোযাগুলো ঈদের পর লাগাতার রাখা হলেও সমস্যা নেই এবং উত্তম হলো প্রতি সপ্তাহে ২ টি রোযা এবং ঈদের দ্বিতীয় দিন একটি রোযা রেখে নেওয়া; আর