Share this link via
Personality Websites!
ধারাবাহিকতা থাকত। আল্লাহ পাকের দয়া বর্ষণকারী দরবারে ঈমান হেফাজতের ভিক্ষা চাওয়া জারি থাকত। উদ্বিগ্নের এবং চরম উদ্বিগ্নের বিষয় এটিই যে, যেভাবে দুনিয়াবী সম্পদ হেফাজতের বিষয়ে উদাসীনতা তার নষ্ট হওয়ার কারণ হতে পারে, ঠিক তেমনই বরং তার চেয়েও কঠোর হলো ঈমানের ব্যাপারটি। মালফুযাতে আলা হযরতে আছে: ওলামায়ে কেরাম বলেন; যাঁর ঈমান ছিনিয়ে নেওয়ার ভয় থাকে না, প্রাণ ওষ্ঠাগত হওয়ার সময় তার ঈমান ছিনিয়ে নেওয়ার কঠোর ঝুঁকি থাকে। (মালফুযাতে আলা হযরত, পৃষ্ঠা: ৪৯৫)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
আগুনের সিন্দুক
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! নিজের সমাপ্তি নিয়ে চিন্তা করা অত্যন্ত জরুরী। হায়! যে দূর্ভাগার সমাপ্তি মন্দ হবে অর্থাৎ মৃত্যুর সময় যাঁর ঈমান ছিনিয়ে নেওয়া হবে অথবা যে কুফরের অবস্থায় দুনিয়া থেকে যাবে; জানেন তার হাশর কেমন হবে...!! শুনুন! এমন মন্দ পরিণামকারীকে কবর এমন জোরে চাপ দেবে যে, এদিকের পাঁজর ওদিকে আর ওদিকের পাঁজর এদিকে হয়ে যাবে। অমুসলিমদের জন্য একইভাবে আরও যন্ত্রণাদায়ক আযাব হবে। কিয়ামতের ৫০ হাজার বছরের দিন চরম ভয়াবহতার মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হবে। অতঃপর তাকে উপুড় করে টেনে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। যেসব গুনাহগার মুসলমান জাহান্নামে প্রবেশ করবে যখন তাদের বের করে নেওয়া হবে এবং দোযখে শুধুমাত্র তারাই রয়ে যাবে যাদের কুফরের উপর সমাপ্তি হয়েছিল। বাহারে শরীয়তে রয়েছে: এরপর শেষে কাফেরদের জন্য এটি হবে যে, তাকে তার উচ্চতা সমান আগুনের সিন্দুকের মধ্যে বন্ধ করা হবে। অতঃপর তাতে আগুন জ্বালানো হবে এবং আগুনের তালা লাগানো হবে। এরপর এই সিন্দুক আগুনের দ্বিতীয় সিন্দুকের
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami