Book Name:আল্লাহ পাকের গোপন ব্যবস্থাপনা
শয়তানের এই কথাগুলো শুনে বারসীসা পথভ্রষ্ট হলো এবং বলল: আচ্ছা বলো কোন গুনাহটি করব? শয়তান বলল: ব্যভিচার করো! বারসীসা অস্বীকার করল। শয়তান বলল: কাউকে হত্যা করো! বারসীসা এতেও রাজি হলো না। শয়তান বলল: চলো তবে মদ পান করো! এতে বারসীসা রাজি হয়ে গেল। সে মদ কিনল, সেটি পান করল। এখন তার নেশা হলো; ঐ নেশার ঘোরে সে ব্যভিচারও করল এবং অন্যায়মূলক হত্যার গুনাহও করে বসল। যখন সে এমন গুরুতর অপরাধ করল তখন তাকে গ্রেপ্তার করা হলো; তাকে ফাঁসীর দণ্ড শোনানো হলো। যখন তাকে ফাঁসীর মঞ্চে তোলা হলো তখন শয়তান তার কাছে পৌঁছাল এবং বলল: আমি তোমাকে ছাড়াতে পারি, ব্যস আমার একটি কথা মানো! আল্লাহ পাককে অস্বীকার করে আমাকে সিজদা করো! হায়! ২০০ বছর গুনাহ থেকে বেঁচে ইবাদতে কাটানো বারসীসা শয়তানের চালে ফেঁসে গেল এবং সে শয়তানকে সিজদা করে দিল। যেমনই সে এই কুফর করল অমনি তার মৃত্যু এসে গেল এবং এই দূর্ভগা ঈমান থেকে ফিরে গিয়ে মুরতাদ হয়ে দুনিয়া থেকে চলে গেল...!!
(সালওয়াতুল আরেফীন, খণ্ড: ২, পৃষ্ঠা: ১৬৬-১৬৮)
হে আশিকানে রাসূল! ভয় পাওয়ার স্থান এটি। হায়! আতঙ্কের বিষয়। যখন ২০০ বছর ইবাদতে কাটানো, একটিও গুনাহ না করা ব্যক্তির এমন ভয়াবহ পরিণাম হলো; তবে আমরা যারা গুনাহগার, আমাদের দ্বারা দিনরাত জানি না কেমন কেমন গুনাহ হয়; আমরা আমাদের পরিণতি সম্পর্কে নিশ্চিন্ত কীভাবে থাকতে পারি...!!
যাঁর ঈমান নষ্ট হওয়ার ভয় হবে না....!!
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! হায়! যদি ঈমান হেফাজাতের ভালো চিন্তা নসীব হতো! শত কোটি আফসোস! সবসময় মন্দ সমাপ্তির ভয়ে অন্তর কাঁপত! দিনে বারবার তাওবা ও ইস্তিগফারের