আল্লাহ পাকের গোপন ব্যবস্থাপনা

Book Name:আল্লাহ পাকের গোপন ব্যবস্থাপনা

মাওলানা শাহ ইমাম আহমদ রযা খাঁন رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ লেখেন: প্রাণ ওষ্ঠাগত হওয়ার সময় জন শয়তান মানুষের দুই পাশে এসে বসে একজন তার বাবার আকৃতি ধারণ করে, দ্বিতীয় জন মায়ের * একজন বলে: ব্যক্তি ইহুদী হয়ে মারা গেছে, তুমিও ইহুদী হয়ে যাও কারণ ইহুদীরা সেখানে খুব শান্তিতে আছে * দ্বিতীয় জন বলে: ব্যক্তি নাসারা (অর্থাৎ খ্রিস্টান হয়ে দুনিয়া থেকে) গেছে, তুমিও নাসারা হয়ে যাও কারণ নাসারারা সেখানে খুব আরামে আছে

(ফাতাওয়ায়ে রযবীয়া, খণ্ড: , পৃষ্ঠা: ৮৩)

বাস্তবিকই অবস্থা অত্যন্ত নাজুক ঈমান নষ্ট হওয়ার ভয়ে খোদাভীতি সম্পন্নদের অন্তর টুকরো টুকরো হয়ে যায়

একজন ইবাদতগুজারের শিক্ষণীয় পরিণতি

প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! শয়তান আমাদের প্রকাশ্য শত্রু এই নিকৃষ্ট সবসময় আমাদেরকে আমাদের পরিণতি  সম্পর্কে উদাসীন করে পথভ্রষ্ট করতে এবং জাহান্নামের হকদার বানাতে সচেষ্ট অভিশপ্ত শয়তান কোনভাবে মানুষকে পথভ্রষ্ট করে এবং জাহান্নাম পর্যন্ত পৌঁছে দেয়, একটি শিক্ষানীয় ঘটনা শুনুন!

কিতাবসমূহে লেখা রয়েছে: বারসীসা নামক একজন ইবাদতগুজার ছিল আল্লাহ পাক তাকে দীর্ঘ হায়াত দান করেছিলেন এবং সে সবার থেকে আলাদা হয়ে আল্লাহ পাকের ইবাদতে মগ্ন থাকত সে ২০০ বছর এমনভাবে কাটিয়েছে যে, এক মুহূর্তের জন্যও কোনো গুনাহ করেনি তার ৬০ হাজার ছাত্র ছিল এবং সবাই তার এমন ফয়যান পেয়েছিল যে, আকাশে উড়ত কিন্তু আফসোস! আল্লাহ পাকের গোপন রহস্য তার উপর প্রবল হলো এবং সে অমুসলিম হয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিল

টনাটি এমন ছিল যে, একবার শয়তান মানুষের রূপ ধরে তার কাছে পৌঁছাল এবং বারসীসার ইবাদতখানা যেখানে থেকে