Share this link via
Personality Websites!
ছাড়ল এবং অমুসলিম হয়ে গেল। এখন ঐ মেয়েটির সাথেই তার বিয়ে হয়ে গেল, অতঃপর কিছুকাল পরেই সে ঐ বে-ঈমানী অবস্থায় মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ল। যখন তার দুই সাথী সফর থেকে ফিরে এলেন তখন তার সম্পর্কে খোঁজ নিলেন তো তাঁদের বলা হলো যে, সে তো অমুসলিম হয়ে গিয়েছিল এবং ঐ অবস্থাতেই মারা গেছে। এটি শুনে তাঁদের খুব দুঃখ হলো, শিক্ষা নেওয়ার জন্য তার কবরে পৌঁছালেন। সেখানে একজন মহিলা এবং ২ জন বাচ্চাকে কবরের উপর কাঁদতে দেখলেন। নিজেদের সাথীর অবস্থা দেখে তাঁরাও কাঁদতে শুরু করলেন। মহিলা তাঁদের জিজ্ঞেস করল: আপনারা কেন কাঁদছেন? তাঁরা তার ইবাদত, নামায ও দুনিয়াবিমুখতার কথা উল্লেখ করলেন। মহিলা যখন এটি শুনল তখন তার মন ইসলামের দিকে ঝুঁকে গেল এবং সে তার দুই সন্তানসহ ইসলাম কবুল করে নিল। (আর রওযুল ফায়েক, পৃ: ১৬)
! اَللهُ اَكْبَرُ প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! কেমন শিক্ষার বিষয়...!! ঐ মহিলা যার প্রেমে পাগল হয়ে এই নেক মানুষটি ঈমানের দৌলত ছেড়েছিল, ইসলাম থেকে মুখ ফিরিয়েছিল, শেষ পর্যন্ত সে মুসলমান হয়ে গেল আর এই মন্দ পরিণামের অধিকারী ব্যক্তি অমুসলিম হয়ে দুনিয়া থেকে চলে গেল...!! অতএব মুসলমানের উচিত নিজের পরিণাম সম্পর্কে সবসময় ভীত থাকা এবং আল্লাহ পাকের কাছে উত্তম সমাপ্তির প্রার্থনা করতে থাকা।
আল্লাহ পাকের গোপন কৌশলকে ভয় করতে থাকুন!
হযরত আব্দুল্লাহ মুসালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: আমাদের যুগে একজন দুঃখী ব্যক্তি ছিল যাকে ‘ক্বাদীবুল বান’ (বান নামের গাছের শাখা) নামে ডাকা হতো। তাঁর সম্মান ও প্রভাব-প্রতিপত্তির কারণে কেউ তাঁর সাথে কথা বলার সাহস করত না। তিনি অনেক বেশি কাঁদতেন। একবার আমি ঐ নেক ব্যক্তির খিদমতে
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami