Book Name:আমীরে আহলে সুন্নাত دَامَتْ بَرَکَاتُہُمُ الْعَالِیَہ এর ওলামাদের প্রতি ভালোবাসা
থাকল, কাফেলা বড় হতে থাকল এবং اَلْحَمْدُ لِلّٰه নেকীর দাওয়াতের এই দ্বীনি বার্তা সারা বিশ্বে পৌঁছে গেল।
আলিমের ভালোবাসাই হলো দ্বীন
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আমরা শুনলাম যে, আমীরে আহলে সুন্নাত ওলামায়ে কেরামকে কতটা ভালোবাসেন; আমাদেরও উচিত যে, আমরা ওলামায়ে কেরামকে ভালোবাসা, তাঁদের আদব ও সম্মান করা। কারণ তাঁদের এই ভালোবাসার কারণে বান্দা দ্বীনের কাছাকাছি চলে আসে। ওলামাদের ভালোবাসার কারণেই সে তাঁদের মজলিসগুলোতে অংশগ্রহণে অভ্যস্ত হয়ে যায়, যার বরকত এভাবে প্রকাশ পায় যে, দ্বীনের বুঝ আসা শুরু হয় এবং বান্দা নেক নামাযী হয়ে যায়।
মুসলমানদের চতুর্থ খলিফা হযরত আলীয়্যূল মুরতাযা শেরে খোদা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ বলেন: مَحَبَّةُ الْعَالِم ِدِيْنٌ يُدَانُ بِه অর্থাৎ আলিমের ভালোবাসাই হলো দ্বীন এবং এই ভালোবাসা বান্দাকে দ্বীনের কাছে নিয়ে আসে। (আল জালিসুস সালেহ আল কাফি ওয়ালি আনিসুন নাসেহেশ শাফেয়ী, পৃষ্ঠা: ৫৮৪)
ধ্বংসের একটি কারণ
হে ওলামায়ে কেরামকে ভালোবাসা পোষণকারীরা..!! ওলামাদের ভালোবাসাতেই দ্বীন ও দুনিয়ার কল্যাণ নিহিত। যদি আমরা তাঁদের ভালোবাসি, তাঁদের সান্নিধ্যে থাকি তবে শয়তান ও তার চালবাজি থেকে সতর্ক থাকব। কিন্তু যদি আমরা ওলামাদের আঁচল ছেড়ে দিই তবে ধ্বংস হয়ে যাব এবং সেই ধ্বংসের ক্ষতি আমাদের দ্বীন ও দুনিয়া উভয় ক্ষেত্রে ভোগ করতে হবে।
হযরত আবু দারদা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ থেকে বর্ণিত; তিনি رَضِیَ اللهُ عَنْہُ বলেন: * হয় নিজে আলেম হও * অথবা ছাত্র হও * তাঁদের ভালোবাসা পোষণকারী হও * অথবা তাঁদের অনুসারী হও। পঞ্চম ব্যক্তি হয়ো না অন্যথায় ধ্বংস হয়ে যাবে। হযরত হাসান رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ (যিনি