Share this link via
Personality Websites!
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: ‘আল্লাহওয়ালা’ হয়ে যাও! এ কারণে যে, তোমরা কিতাব শিক্ষাদান করো এবং এ কারণে যে, তোমরা অধ্যয়ন করে থাকো।
অর্থাৎ যারা আল্লাহ পাকের কিতাব কুরআনে করীম শেখান এবং এর দরস দেন তারা রাব্বানী ওলামা। اَللهُ اَكْبَرُ ভেবে দেখুন তো যারা আল্লাহ পাকের বিশেষ বান্দা, যারা দ্বীনের ওয়ারিশ, তাঁদের ভালোবাসার পরিবর্তে তাঁদের সমালোচনা করা, মানুষকে তাঁদের থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করা এবং তাঁদের শানে বেয়াদবি করা কত বড় অপরাধ! আল্লাহ পাক আমাদের ওলামাদের ভালোবাসা নসীব করুক। মুসলমানদের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর ফারুক رَضِیَ اللهُ عَنْہُ বলেন: ইলম অর্জন করো; যদি তোমরা তাতে অক্ষম হও তবে ইলমওয়ালাদের ভালোবাসো; যদি তাঁদের ভালোবাসতে না পারো তবে তাঁদের প্রতি বিদ্বেষ ও ঘৃণা করো না। (তাবকাতে কুবরা, ২/২৭৩)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
ওলামায়ে কেরামের দ্বারা দোয়া করাতেন
আমীরে আহলে সুন্নাত মাওলানা মুহাম্মদ ইলইয়াস কাদেরী دَامَتْ بَرَکَاتُہُمُ الْعَالِیَہ এর একটি অত্যন্ত চমৎকার আচরণ এটিও যে, তিনি ওলামায়ে কেরামের ভালোবাসার কারণে যখন তাঁদের দরবারে হাজির হতেন তখন তাঁদের দিয়ে বিশেষভাবে দোয়া করাতেন। তিনি এক স্থানে বলেন: শত শত নয় বরং হাজার হাজার আলিমের দোয়া আমার সাথে আছে। (আমীরে আহলে সুন্নাতের দ্বীনি খেদমত, পৃষ্ঠা:৩২৫)
হযরত গাযালীয়ে যামান আল্লামা সৈয়দ আহমদ সাঈদ কাযেমী শাহ সাহেব رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ যতদিন জীবিত ছিলেন, আমীরে আহলে সুন্নাত دَامَتْ بَرَکَاتُہُمُ الْعَالِیَہ যখনই মুলতান শরীফ তাশরীফ আনতেন তাঁর দরবারে অবশ্যই হাজিরা দিতেন এবং তাঁকে দিয়ে প্রচুর দোয়া করাতেন। (১১৬৩ ওলামায়ে আহলে সুন্নাতের অভিমত, পৃষ্ঠা: ১৭)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami