Share this link via
Personality Websites!
এক রাতে সুলতান মাহমুদ গযনভী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ নিজের সৈন্যদল নিয়ে কোথাও যাচ্ছিলেন, একজন খাদেম প্রদীপ নিয়ে সৈন্যদলের আগে হাঁটছিল।
আলো ছড়িয়ে পড়তে দেখে এক ব্যক্তি কিতাব নিয়ে নিজের ঘর থেকে বাইরে এল এবং প্রদীপের আলোতে কিতাব পড়া শুরু করল। সুলতান মনে মনে ভাবলেন যে, সম্ভবত ইনি কোনো আলিম -দ্বীন। (সুলতানের মধ্যে এই গুণ ছিল যে, তিনি ইলম ও আলিমের প্রতি ভালোবাসা পোষণ করতেন, এই কারণে তিনি) তাঁর সম্মানে সৈন্যদল থামিয়ে দিলেন, যাতে তিনি নিশ্চিন্তে প্রদীপের আলোতে পাঠ শেষ করতে পারে। পাঠ শেষ হওয়ার পর যখন ঐ ব্যক্তি নিজের ঘরে ফিরে গেলেন তখন সুলতান নিজের সৈন্যদল নিয়ে সেখান থেকে বিদায় হলেন।
ঐ রাতেই ভাগ্যের নক্ষত্র জ্বলে উঠল। রাতে যখন শুলেন তখন নসীব জেগে উঠল; প্রিয় আকা, মাক্কী মাদানী মুস্তফা صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم স্বপ্নে তাশরীফ আনলেন এবং কুরবান হোন! প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم একটি মাত্র বাক্য ইরশাদ করলেন: হে নাসিরুদ্দীন সাবুকতিগীনের বেটা! আমার ওয়ারিশ (আলিমে দ্বীন) এর খেদমত করার কারণে আল্লাহ পাক তোমাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। (কালাদাতুন নাহার ফি ওয়াফিয়াতি আয়ানিদ তাহার, ৩/৩৫৮)
سُبْحٰنَ الله! আমার মাহবুব صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর কী শান..!! اَلْحَمْدُ لِلّٰه আল্লাহ পাকের দয়ায় প্রিয় মাহবুব صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم জীবিতও আছেন, নিজের উম্মতের অবস্থা বরং মনের কল্পনা সম্পর্কেও অবগত। তিনি صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এটিও জানতেন যে, মাহমুদ গযনভী একজন আলিমে দ্বীনের খেদমত করেছে, তাঁর জন্য বিনয় অবলম্বন করেছে এবং এটিও জানতেন যে, মাহমুদ গযনভীর অন্তরে ৩টি বিষয় জানার অন্বেষা রয়েছে। যেমনটি একটি মুবারক বাক্যেই তিনটি বিষয়ের সমাধান করে দিলেন: (১) ইরশাদ
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami