Share this link via
Personality Websites!
খলিফা নয় বরং এর অর্থ হলো বন্ধু বা সাহায্যকারী। অর্থাৎ: আমাদের প্র্রিয় নবী
صَلَّی
اللهُ
عَلَیْہِ
وَاٰلِہٖ
وَسَلَّم এর মুবারক বাণীর উদ্দেশ্য হলো যার যার আমি মাহবুব এবং সাহায্যকারী , আলীও তার তার বন্ধু , মাহবুব এবং সাহায্যকারী। (মিরাতুল মানাজীহ, খন্ড ৮, ৪১৭ পৃ:)
হে আশিকানে সাহাবা ও আহলে বাইত! এর মাধ্যমেও জানা হয়ে গেলো যে, ইয়া আলী আল মদদ বলা একেবারে জায়িয কারণ আমাদের প্রিয় নবীصَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কিয়ামত পর্যন্ত আসা সকল মুসলমানদের মাওলা (অর্থাৎ মাহবুব ও সাহায্যকারী), সুতরাং হযরত আলীرَضِیَ اللهُ عَنْہُ ও কিয়ামত পর্যন্ত আসা প্রত্যেক মুসলমানদের মাহবুব ও সাহায্যকারী হলন। যেহেতু তিনি আমাদের সাহায্যকারী তবে তাঁর কাছ থেকে সাহায্য চাওয়া কেন নাজায়িয হবে, অতএব কোন বিপদ, পেরেশানী, দুঃখ, বেদনা মুসিবত আসে তখন ইয়া আলী আল মদদ বলে ডাকুন!اِنْ شَآءَ اللهমাওলা আলী মুশকিল কুশা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ অবশ্যই দয়া করবেন এবং সমাধানও করবেন اِنْ شَآءَ الله।
না’দে আলীর বরকত
শাহ মুহাম্মদ গাউস গুয়ালিয়ারি رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর কিতাব জাওয়াহেরে খামসা। এই কিতাবে ওয়াযিফা লিখা হয়েছে, অনেক প্রসিদ্ধ কিতাব, বড় বড় ওলামায়ে কেরাম, আউলিয়ায়ে কেরাম এমনকি পাক ভারতের অনেক বড় মুহাদ্দিস শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলভী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর মধ্যে লিখিত ওয়াযিফার অনুমতি দিয়েছেন। সায়্যিদি আলা হযরত رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِও এই কিতাবের প্রশংসা করেছ্নে। এই কিতাবে না’দে আলী পড়ার প্রতিও উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। না’দে আলী হলো نَادِ عَلِیًّا مَّظْہَرِ الْعَجَائِبِ تَجِدْہُ عَوْنًا لَّکَ فِی النَّوَائِبِ کُلُّ هَمٍّ وَّ غَمٍّ سَیَنْجَلِیْ بِنَبُوَّتِکَ یَا مَحَمَّدُبِوَلَایَتِکَ یَاعَلِیُّ یَا عَلِیُّ یَا عَلِیُّ অনুবাদ: হযরত আলী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ কে ডাকা যেটা আশ্চর্যের বহিঃপ্রকাশ, তাঁকে সকল মুসিবতে স্বীয়
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami