Share this link via
Personality Websites!
(২) যেন শবে কদর পেয়ে গেলো:
প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: যে ব্যক্তি এ দোয়া তিনবার পড়ে নিবে, সে যেন শবে কদর পেয়ে গেলো। (তারীখে ইবনে আসাকীর, ১৯/৪৪১৫)
لَا اِلٰهَ اِلَّا اللهُ الْحَلِيْمُ الْكَرِيْمُ سُبْحَانَ اللهِ رَبِّ السَّمٰوٰتِ السَّبْعِ وَرَبِّ الْعَرْشِ الْعَظِيْم
সহনশীল দয়ালু আল্লাহ পাক ব্যতিত ইবাদতের উপযোগী কেউ নেই। আল্লাহ পাক পবিত্র, যিনি সপ্ত আসমান ও আরশে আযীমের মালিক ও প্রতিপালক।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
সাপ্তাহিক ইজতিমার হালকার শিডিউল ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং
(১) সুন্নাত ও আদব শেখা: ৫ মিনিট, (২) দোয়া শেখা: ৫ মিনিট,
(৩) পর্যালোচনা: ৫ মিনিট। মোট সময়কাল- ১৫ মিনিট।
রোযা ভঙ্গের অবশিষ্ট কারণসমূহ
* কুলি করছিল, অনিচ্ছা সত্ত্বেও পানি কণ্ঠনালি বেয়ে নিচে নেমে গেল। কিংবা নাকে পানি দিল কিন্তু তা মগজে পৌঁছে গেল তবে রোযা ভেঙ্গে যাবে। রোযাদার হবার কথা ভুলে যায়, তবে রোযা ভঙ্গ হবে না । যদিও তা ইচ্ছাকৃত হয়। অনুরূপভাবে রোযাদারের দিকে কেউ কোন কিছু নিক্ষেপ করল, আর তা তার কণ্ঠে পৌঁছে গেল, তবে রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে। * ঘুমন্ত অবস্থায় পানি পান করল বা কিছু খেয়ে ফেলল, অথবা মুখ খোলা ছিল পানির ফোটা কিংবা বৃষ্টি অথবা শিলাবৃষ্টি কণ্ঠে চলে গেল, তাহলে রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে। * অন্য কারো থুথু গিলে ফেলল। কিংবা নিজেরই থুথু হাতে নেয়ার পর গিলে ফেলল, তাহলে রোযা ভঙ্গ হবে। * মুখে রঙ্গিন সূতা ইত্যাদি রাখার ফলে থুথু রঙ্গিন হয়ে গেল। তারপর ওই রঙ্গিন থুথু গিলে ফেলল রোযা ভঙ্গ হবে। * চোখের পানি মুখের ভিতর চলে গেল আর সেটা গিলে ফেলল,
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami