Share this link via
Personality Websites!
اللهُ عَنْہُ কে ভালোবাসে সে শুধুমাত্র মুখে দাবি করবে না, জীবন ধারা, কর্মকান্ড ও কথাবার্তায় হযরত আলী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর অনুসরণ করবে। উদাহরণস্বরুপ * হযরত আলী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ অতুলনীয় আলীমে দ্বীন ছিলেন, তাঁকে বাবুল ইলম বলা হয়, আমাদেরও উচিত যে, আমরা ইলমে দ্বীন শিখি, اِنْ شَآءَ الله শাওয়াল মাসে জামেয়াতুল মদীনায় ভর্তি চলবে, জামেয়াতুল মদীনায় ভর্তি হোন, আলিম কোর্স করুন, আলিম হোন, মুফতী হোন, এছাড়া দাওয়াতে ইসলামীর অধীনে ইসলামী ভাইদের বিভিন্ন সর্ট কোর্স (Short courses) করানো হয়, ফরয উলুম কোর্স রয়েছে, এই কোর্সটি করুন। ফয়যানে অনলাইন একাডেমিতে ইলমে দ্বীনের অনেক কোর্স অনলাইনেও করানো হয়, সেখানে ভর্তি হোন, সপ্তাহিক মাদানী মুযাকারায় অংশগ্রহণ করুন, সপ্তাহিক পুস্তিকা পড়ুন, তাফসীরে সীরাতুল জিনান পড়ুন, ফয়যানে সুন্নাত ,ফয়যানে নামায ইত্যাদি কিতাব কিনুন,পড়ুন। * হযরত মাওলা আলী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ দ্বীনের পৃষ্ঠপোষকতার ব্যাপারে সুদৃঢ় ইচ্ছাপোষণকারী ছিলেন, সুতরাং হযরত আলী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর ভালোবাসার সুধা পানকারীদেরও উচিত যে, দ্বীনের খুব খেদমত করা, নেকীর দাওয়াতের সাড়া জাগানো, খারাপ কাজ থেকে নিষেধ করা, দ্বীনের খেদমতের জন্য সদা সর্বদা সুউচ্চ আশা রাখা এবং সর্বোত্তমভাবে দ্বীন ইসলামের খেদমত করতে থাকা। *হযরত মাওলা আলী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দনকারী ছিলেন। আমরাও আল্লাহ পাকের ভয় ধারণ করি, কখনো জাহান্নামের কথা কল্পনা করুন, কখনো আযাবের কথা পড়ুন, কখনো কবরস্থানে উপস্থিত হয়ে আখিরাতের কথা চিন্তা করুন এবং আল্লাহর ভয়ে অশ্রুসিক্ত করুন। * হযরত মাওলা আলী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ নিজের নফসের হিসাব করতেন। * সবার আগে সালাম দিতেন। * পরহেযগারদের সম্মান
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami