Share this link via
Personality Websites!
নিঃসন্দেহে সেটা সৌভাগ্যময় পরিবেশ ছিল যে, কুরআনে পাকের তিলাওয়াতের মতো মহান নেকী ও ইবাদতে একে অপরের সহযোগী ছিল, মূলত তাঁদের মধ্যে কেউ নেকীর ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকতে চাইতেন না, কিন্তু বর্তমান এরকম পরিবেশ খুবই কমই দেখা যায়, এখন তো দূর্ভাগ্যবশত মানুষকে নেকীর কাজের দিকে অগ্রসর হওয়ার অনুপ্রেরণা দেওয়ার পরিবর্তে মনে কষ্ট দেওয়া হয়ে থাকে,আহ! আমরাও নেকীর কাজে একে অপরের সাহায্যকারী হতাম।
হে আশিকানে আউলিয়া! এই ঘটনা থেকে প্রতীয়মান হলো! বুযুর্গানে দ্বীন رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِمْ কুরআনে করীমের গুরুত্ব সম্পর্কে ভালোভাবে জানতেন, এজন্য সর্বদা সেটার সাথে সম্পর্ক অটুট রাখতেন, সেটা তিলাওয়াত করতেন আর বেশি বেশি খতম দেওয়ার প্রচেষ্টায় লেগে থাকতেন। নিজেদের ঘরসমূহকে কুরআনে পাকের তিলাওয়াত দ্বারা সজ্জিত রাখতেন।
আহ! আমরা যদি আমাদের ঘরসমূহকে কুরআনে পাকের তিলাওয়াত দ্বারা সাজিয়ে রাখতাম, আমাদের প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ঘরকে কুরআনে করীমের তিলাওয়াত ও নামায পড়ে আবাদ করার নির্দেশ দিয়েছেন, যেমনটি
নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّمইরশাদ করেন: তোমাদের ঘরসমূহকে কবরস্থান বানিও না (অর্থাৎ নিজেদের ঘরসমূহে ইবাদত করো)। শয়তান ওই ঘর থেকে পালিয়ে যায় যেটাতে “সূরা বাকারা” তিলাওয়াত করা হয়। (মুসলিম, পৃষ্ঠা: ৩০৪, হাদিস: ১৮২৪)
কিন্তু আফসোস! বর্তমান মুসলমানদের ঘরে কুরআনে পাকের তিলাওয়াত হয় না বরং গান-বাজনার আওয়াজ আসে, নামায তো পড়েই না তবে সিনেমা-নাটক অবশ্যই দেখে, দরস বা দ্বীনের পাঠদান তো হয়ই না বরং গালমন্দ, ঝগড়া-বিবাদ, আল্লাহ
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami