Share this link via
Personality Websites!
মধ্যে দুই ধরনের লোক ছিল, একদল দ্বীনদার এবং অন্যদল বেদ্বীন, একদল জান্নাতী, অন্যদল জাহান্নামী এবং তাদের মধ্যে চিরস্থায়ী শত্রুতা ছিল। তাই আল্লাহ পাক তাঁকে জান্নাত থেকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন এই বলে যে, হে আদম عَلَیْہِ السَّلَام! পৃথিবীতে যান! আপনার বংশধররা পৃথিবীতে থাকবে, তাদের মধ্যে পার্থক্য (Difference) করে দেওয়া হবে, তারপর কিয়ামতের দিন যারা জাহান্নামী, তারা জাহান্নামে চলে যাবে এবং আপনি ও আপনার জান্নাতী বংশধরদের আবার চিরকালের জন্য জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে!
(তাফসীরে নঈমী, পারা: ১, সূরা বাকারা, ৩৬নং আয়াতের পাদটীকা, খন্ড:১, পৃষ্ঠা:৩০৭)
অদ্ভুত প্রশ্ন, সুন্দর উত্তর
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস رَضِیَ اللهُ عَنْہُمَا সাহাবীয়ে রাসূল ছিলেন, তাফসীর শাস্ত্রে তিনি অত্যন্ত পারদর্শী (Expert) ছিলেন, তাঁকে সুলতানুল মুফাসসিরীন বলা হয়। একবার রোমের বাদশাহ তাঁর কাছে চিঠি লিখে একটি অদ্ভুত প্রশ্ন করেছিলেন, তিনি লিখেছিলেন: যে ব্যক্তির বাড়িতে মেহমান (Guest) আসে, তার জন্য কি এটা সমীচীন যে, সে মেহমানকে ঘর থেকে বের করে দেয়? (তার ইঙ্গিত হযরত আদম عَلَیْہِ السَّلَام এর দিকে ছিল যে, তিনি জান্নাতে ছিলেন, তারপর আল্লাহ পাক তাঁকে পৃথিবীতে আসার নির্দেশ দিয়েছিলেন)।
যেমন প্রশ্নটি ছিল অদ্ভুত, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস رَضِیَ اللهُ عَنْہُمَا উত্তরও দিয়েছেন খুবই অনন্য (Unique), তিনি উত্তরে তাকে লিখেছিলেন: মেহমানকে ঘর থেকে বের করে দেওয়া তো সমীচীন নয়, তবে! যখন মেহমান ঘরে আসে, তখন তাকে বলা হয়: সফরের পোশাক খুলে ফ্রেশ (Fresh) হয়ে যান! (অর্থাৎ মুখ
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami