Share this link via
Personality Websites!
অর্থাৎ যখন হযরত আদম عَلَیْہِ السَّلَام জান্নাতে ছিলেন এবং জান্নাতের গাছের ফল খাওয়ার ঘটনা ঘটেছিল, এর পরে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেছেন, কী ইরশাদ করেছেন:
اهْبِطُوْا
(পারা ১, সূরা বাকারা, আয়াত ৩৬)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: (তোমরা) নিচে নেমে যাও!
অর্থাৎ হে আদম عَلَیْہِ السَّلَام! আপনি এবং আপনার বংশধরেরা, তোমরা সবাই জান্নাত থেকে পৃথিবীতে নেমে যাও!
(হাশিয়া সাওয়ী আলাল জালালাইন, পারা:১, সূরা বাকারা, ৩৬নং আয়াতের পাদটীকা, অংশ:১, খন্ড:১, পৃষ্ঠা:৬৩-৬৪)
بَعْضُكُمْ لِبَعْضٍ عَدُوٌّۚ-
(পারা ১, সূরা বাকারা, আয়াত ৩৬)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: তোমরা পরস্পর পরস্পরের শত্রু হবে।
অর্থাৎ হে আদম عَلَیْہِ السَّلَام! আপনার বংশধররা একে অপরের শত্রু হয়ে থাকবে। অমুসলিমরা সর্বদা মুসলমানদের সাথে শত্রুতা করতে থাকবে, বাতিল ও ভ্রান্ত পথের পথিকরা সর্বদা সত্যপন্থীদের সাথে শত্রুতা করবে।
(তাফসীরে নঈমী, পারা: ১, সূরা বাকারা, ৩৬ নং আয়াতের পাদটীকা, খন্ড:১, পৃষ্ঠা:৩০৩)
একটি সাধারণ ভুল ধারণার নিরসন
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! এখান থেকে একটি সাধারণ ভুল ধারণার নিরসন হয়। আমাদের সমাজে কিছু বেপরোয়া লোককে বলতে শোনা যায় যে, হযরত আদম عَلَیْہِ السَّلَام আমাদেরকে জান্নাত থেকে বের করেছেন, জান্নাতের ফল তিনি খেয়েছেন এবং তাঁর ফল আমরা ভোগ করছি।
এটা অত্যন্ত ঘৃণ্য (Cheap) কথা, হযরত আদম عَلَیْہِ السَّلَام আমাদেরকে জান্নাত থেকে পৃথিবীতে আনেননি বরং আমরাই তাঁর পৃথিবীতে আসার কারণ (Reason) হয়েছি। তিনি তো আগেও জান্নাতী ছিলেন, এখনও জান্নাতী আছেন। আসলে তাঁর বংশধরের
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami