Share this link via
Personality Websites!
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: অতঃপর আমি তাকে এবং তার প্রাসাদকে ভূ-গর্ভে ধ্বসিয়ে দিলাম, অতঃপর তার নিকট কোন মানব-গোষ্ঠী ছিলো না যে, আল্লাহ থেকে বাঁচানোর জন্য তার সাহায্য করতো; এবং না সে তার বদলা নিতে পারতো।
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আপনারা শুনলেন তো! দুনিয়াবী সম্পদের ভালবাসায় যাকাতকে অস্বীকারকারী এবং আল্লাহ পাকের রাসূলের সাথে শত্রুতা পোষণকারী হতভাগা কারুনের পরিণতি কিরূপ ভয়ানক হলো, তার সম্পদও কোন কাজে এলো না, তার ধন ভান্ডারও কোন কাজে এলো না, বরং সে তার ধন ভান্ডারসহ আযাবে লিপ্ত হয়ে গেলো। সূরা কিসাসে বর্ণনাকৃত এই ঘটনা থেকে যেমনিভাবে দুনিয়াবী সম্পদের ভালবাসার ভয়ানক পরিণতি সম্পর্কে জানা যায়, তেমনিভাবে যাকাতের গুরুত্বও স্পষ্টভাবে জানা যায়।
যাকাতের ফরযিয়্যত
মনে রাখবেন, উম্মতে মুহাম্মদীর উপরও যাকাত আদায় করা ফরয করা হয়েছে। যেমনটি ১ম পারা সূরা বাকারায় ৪৩ নং আয়াতে আল্লাহ পাকের ইরশাদ হচ্ছে:
وَ اَقِیْمُوا الصَّلٰوةَ وَ اٰتُوا الزَّكٰوةَ
(পারা ১, সূরা বাকারা, আয়াত ৪৩)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: আর নামায কায়েম রাখো ও যাকাত আদায় করো।
সদরুল আফাযিল হযরত আল্লামা মাওলানা মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ নাঈমুদ্দিন মুরাদাবাদী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ খাযায়িনুল ইরফানে এই আয়াতের আলোকে লিখেন: এই আয়াতে নামায ও যাকাত ফরয হওয়ার ব্যাপারে বর্ণনা রয়েছে।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami