Book Name:Barkaat e Zakat
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
সাপ্তাহিক ইজতিমার হালকার শিডিউল ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং
(১) সুন্নাত ও আদব শেখা: ৫ মিনিট, (২) দোয়া শেখা: ৫ মিনিট,
(৩) পর্যালোচনা: ৫ মিনিট। মোট সময়কাল- ১৫ মিনিট।
ইতিকাফের অবশিষ্ট সুন্নাত ও আদব
* জামে মসজিদ হওয়া ইতিকাফের জন্য শর্ত নয় বরং ‘মসজিদে জামাআতে’ও হতে পারে। ‘মসজিদে জামাআত’ হচ্ছে ঐ মসজিদ, যাতে ইমাম ও মুয়াজ্জিন নিয়োজিত আছেন, যদিওবা তাতে পাঁচ ওয়াক্ত জামাআত হয়না। (ফয়যানে রমযান, পৃষ্ঠা:২৭৬) * সর্বোত্তম হচ্ছে মসজিদে হারাম শরীফে ইতিকাফ করা অতঃপর মসজিদে নববী শরীফে ইতিকাফ করা, তারপর মসজিদে আকসা (অর্থাৎ বাইতুল মুকাদ্দাস) অতঃপর তাতে, যেখানে বড় জামাআত হয়। (ফয়যানে রমযান, পৃষ্ঠা:২৭৬) * ইতিকাফের কারণে যেসকল নেকী করা থেকে বঞ্চিত হয়ে গেলো, যেমন; কবরের যিয়ারত, মুসলমানদের সাথে সাক্ষাৎ, রোগাক্রান্তের প্রতি সহমর্মিতা, জানাযার নামাযে অংশগ্রহণ করা, তারা এসব নেকীর সাওয়াব সেভাবেই পায় যেভাবে এই কর্ম সম্পাদনকারীরা পায়। (মিরাতুল মানাজিহ, ৩/২১৭) * ইসলামী বোনেরা মসজিদে বাইতে ইতিকাফ করবে। মসজিদে বাইত ঐ স্থানকে বলে, যেখানে মহিলারা নিজের ঘরে নামাযের জন্য নির্দিষ্ট করে নেয়। (ফয়যানে রমযান, পৃষ্ঠা:৩৩৩) * ইতিকাফ অবস্থায় দুটি কারণে মসজিদের সীমানার বাইরে যাওয়ার অনুমতি রয়েছে। (১) শরয়ী প্রয়োজন (২) প্রাকৃতিক প্রয়োজন। শরয়ী প্রয়োজন যেমন; জুমার নামায আদায়ের জন্য যাওয়া।
(ফয়যানে রমযান, পৃষ্ঠা:৩০৬)