Share this link via
Personality Websites!
রমযানুল মুবারকে দশদিন ইতিকাফ করে নিলো, সে এমন যেন দুটি হজ্ব ও দুটি ওমরা করলো। (শুয়াবুল ঈমান, ৩/৪২৫, হাদীস: ৩৯৬৬) * রমযানুল মুবারকের শেষ দশকের ইতিকাফ হলো সুন্নাতে মুয়াক্কাদা আলাল কিফায়া, যদি সবাই বর্জন করে তবে সবাইকে জবাবদিহীতা করতে হবে আর শহরে একজন করে নিয়ে তবে সবাই দায়িত্বমুক্ত হয়ে। (ফয়যানে রমযান, পৃষ্ঠা):২৭০ * মান্নত এবং সুন্নাতে মুয়াক্কাদা ব্যতীত যে ইতিকাফ করা হয় তা মুস্তাহাব ও সুন্নাতে গায়রে মুয়াক্কাদা, এর জন্য রোযাও শর্ত নয় আর না কোন নির্দিষ্ট সময়ের শর্ত, যখনই মসজিদে প্রবেশ করবেন ইতিকাফের নিয়ত করে নিন। (ফয়যানে রমযান, পৃষ্ঠা:২৭১) * রমযানুল মোবারকে ইতিকাফ করার সবচেয়ে বড় উদ্দেশ্য শবে কদরকে অন্বেষণ করা। (ফয়যানে রমযান, পৃষ্ঠা: ২৬৬)
ইতিকাফের অবশিষ্ট সুন্নাত ও আদব তারবিয়্যতি হালকায় বর্ণনা করা হবে, সুতরাং তা জানতে তারবিয়্যতি হালকায় অবশ্যই অংশগ্রহণ করুন।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
দা’ওয়াতে ইসলামীর সাপ্তাহিক ইজতিমায় পঠিত
৬টি দরূদ শরীফ ও ২টি দোয়া
(১) বৃহস্পতিবার রাতের দরূদ শরীফ:
اَللّٰہُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ وَبَارِكْ عَلٰی سَیِّدِنَامُحَمَّدِنِ النَّبِیِّ الْاُمِّیِّ الْحَبِیْبِ الْعَالِی الْقَدْرِالْعَظِیْمِ الْجَاهِ وَعَلٰی اٰلِہٖ وَصَحْبِہٖ وَسَلِّمْ
বুযুর্গরা বলেছেন: যে ব্যক্তি প্রত্যেক জুমার রাতে (বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত) এ দরূদ শরীফ নিয়মিতভাবে কমপক্ষে একবার পাঠ করবে মৃত্যুর সময় রাসূলে পাক صَلَّی
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami