Share this link via
Personality Websites!
সিদ্দিকা رَضِیَ اللهُ عَنْہَا থেকে বর্ণিত যে, প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: مَنِ اعْتَکَفَ اِیْمانًا وَّا ِحْتِسَابًا غُفِرَلَہ مَاتَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِہٖ অর্থাৎ যেই ব্যক্তি ঈমানের সহিত সাওয়াব অর্জনের নিয়তে ইতিকাফ করবে, তার পূর্বের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। (জামেয়ে সগীর, পৃষ্ঠা:৫১৬, হাদীস: ৮৪৮০)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! সম্ভব হলে এই বছর অন্যথায় জীবনে কমপক্ষে একবার তো সম্পূর্ণ রমযানুল মুবারক মাসের ইতিকাফ করে নেয়া উচিৎ। আমাদের প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টির জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকতেন এবং বিশেষত রমযান শরীফে অধিকাহরে ইবাদত করতেন। যেহেতু রমযান মাসেই শবে কদরও গোপন রাখা হয়েছে, সেহেতু এই মুবারক রাতের অনুসন্ধানে তিনি صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم একবার সম্পূর্ণ মুবারক মাসের ইতিকাফ করেছেন।
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আপনারা শুনলেন যে, ইতিকাফের সময় কিরূপ নেকী করার সুযোগ হয়। আমাদেরও প্রতি বছর না হলেও কমপক্ষে জীবনে একবার এই প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর কর্মকে অনুসরণ করে পুরো রমযানুল মুবারক মাসে ইতিকাফ করে নেয়া উচিৎ আর অপরকেও এর উৎসাহ প্রদান করা উচিৎ। اِنْ شَآءَ الله দাওয়াতে ইসলামীর অধীনে সারা দুনিয়ায় সম্পূর্ণ রমযান এবং শেষ দশদিনের সুন্নাত ইতিকাফের ব্যবস্থা থাকবে, সবচেয়ে বড় ইতিকাফ আন্তর্জাতিক মাদানী মারকায ফয়যানে মদীনা বাবুল মদীনায় হবে, اَلْحَمْدُ لِلّٰه ইতিকাফে ওযু, গোসল, নামায, রোযা এবং অন্যান্য শরয়ী মাসআলার পাশাপাশি যোহর ও তারাবীর পর মাদানী মুযাকারার মাধ্যমে শায়খে তরীকত, আমীরে আহলে সুন্নাত دَامَتْ بَرَکَاتُہُمُ الْعَالِیَہ এর নিকট করা প্রশ্নাবলীর আকর্ষণীয় উত্তর সহকারে তথ্যাবলীর ভান্ডার হাতে আসবে।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami