Share this link via
Personality Websites!
شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِیْۤ اُنْزِلَ فِیْهِ الْقُرْاٰنُ هُدًى لِّلنَّاسِ وَ بَیِّنٰتٍ مِّنَ الْهُدٰى وَ الْفُرْقَانِۚ-فَمَنْ شَهِدَ مِنْكُمُ الشَّهْرَ فَلْیَصُمْهُؕ-وَ مَنْ كَانَ مَرِیْضًا اَوْ عَلٰى سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِّنْ اَیَّامٍ اُخَرَؕ-یُرِیْدُ اللّٰهُ بِكُمُ الْیُسْرَ وَ لَا یُرِیْدُ بِكُمُ الْعُسْرَ٘-وَ لِتُكْمِلُوا الْعِدَّةَ وَ لِتُكَبِّرُوا اللّٰهَ عَلٰى مَا هَدٰىكُمْ وَ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُوْنَ(۱۸۵)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: রমযানের মাস, যাতে কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে, মানুষের জন্য হিদায়াত ও পথনির্দেশ এবং মীমাংসার সুস্পষ্ট বাণীসমূহ। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে কেউ এ মাস পাবে, সে যেন অবশ্যই সেটার রোযা পালন করে। আর যে ব্যক্তি রুগ্ন হয় কিংবা সফরে থাকে, তবে ততো সংখ্যক রোযা অন্যান্য দিনসমূহে। আল্লাহ্ তোমাদের উপর সহজই চান এবং তোমাদের উপর ক্লেশ চান না; আর এ জন্য যে, তোমরা সংখ্যা পূরণ করবে এবং আল্লাহ্র মহিমা বর্ণনা করবে এর উপর যে, তিনি তোমাদেরকে হিদায়াত করেছেন। আর যাতে তোমরা কৃতজ্ঞ হও। (পারা: ২, সূরা বাকারা: ১৮৫)
রমযানের সংজ্ঞা
এই আয়াত শরীফের প্রারম্ভিক অংশ شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِیْ এর আলোকে হাকিমুল উম্মত মুফতি আহমদ ইয়ার খান رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ তাফসীরে নঈমীতে বলেন: * রমযান হয়তো رحمٰن এর মতো আল্লাহ পাকের একটি নাম। যেহেতু এই মাসে দিন-রাত আল্লাহ পাকের ইবাদত করা হয়। তাই একে شَہرِ رَمَضان অর্থাৎ আল্লাহ পাকের মাস বলা হয়। যেমন মসজিদ ও কা'বাকে আল্লাহ পাকের ঘর বলা হয়, কারণ সেখানে আল্লাহ পাকেরই কাজ হয়। তেমনি রমযান আল্লাহ পাকের মাস কারণ এই মাসে আল্লাহ পাকেরই কাজ হয়। রোযা, তারাবী ইত্যাদি তো আল্লাহ পাকেরই। কিন্তু রোযা অবস্থায় যে জায়িয চাকরি এবং জায়িয ব্যবসা-বাণিজ্য ইত্যাদি করা হয়, সেগুলোও আল্লাহ পাকের কাজ বলে গণ্য হয়। এজন্য এই মাসের নাম রমযান অর্থাৎ আল্লাহ পাকের মাস। *
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami