Share this link via
Personality Websites!
ব্যক্তির বেদনাদায়ক আহাজারি হায়দারে কাররার رَضِیَ اللهُ عَنْہُ কে অস্থির করে তুলল। তিনি رَضِیَ اللهُ عَنْہُ তার রহমতপূর্ণ প্রতিপালকের দরবারে হাত উঠিয়ে দিলেন এবং অত্যন্ত বিনয়ের সাথে সেই মৃত ব্যক্তির ক্ষমার জন্য দরখাস্ত পেশ করলেন। গায়েব থেকে আওয়াজ এলো: হে আলী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ! আপনি এর সুপারিশ করবেন না, কারণ এই ব্যক্তি রোযা রাখা সত্ত্বেও রমযান করীমের অসম্মান করতো, রমযান করীমেও গুনাহ থেকে বিরত থাকতো না। দিনে রোযা রাখতো কিন্তু রাতে গুনাহে লিপ্ত থাকতো। মাওলা আলী, শেরে খোদা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এই কথা শুনে আরও বেশি ব্যতীত হলেন এবং সেজদায় পড়ে কাঁদতে কাঁদতে আরয করতে লাগলেন: ইয়া আল্লাহ! আমার সম্মান তোমার হাতে, এই বান্দা অনেক আশা নিয়ে আমাকে ডেকেছে, আমার দয়ালু মালিক! তুমি আমাকে এর সামনে অপদস্থ করো না, এর অসহায়ত্বের উপর দয়া করো এবং একে ক্ষমা করে দাও। হযরত আলী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ কাঁদতে কাঁদতে মোনাজাত করছিলেন। আল্লাহ পাকের রহমতের সাগরে জোয়ার এলো এবং আওয়াজ এলো: হে আলী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ! আমরা তোমার মনের কষ্ট দেখে একে ক্ষমা করে দিয়েছি। অতঃপর সেই মৃত ব্যক্তির উপর থেকে আযাব উঠিয়ে নেওয়া হলো। (আনিসুল ওয়াজিন, পৃষ্ঠা: ২৫-২৬)
کیوں نہ مُشکِل کُشا کہوں تم کو!
تم نے بگڑی مِری بنائی ہے
কিউ না মুশকিল কুশা কহুঁ তুম কো!
তুম নে বিগড়ি মেরি বানায়ি হে
রমযানের রাতে খেলাধুলা
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! এই কাহিনী থেকে শিক্ষা গ্রহণ করুন। আহ! শত আহ! রমযান করীমের পবিত্র রাতগুলোতে অনেক যুবক মহল্লায় ক্রিকেট, ফুটবল ইত্যাদি খেলে, খুব হৈচৈ
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami