Share this link via
Personality Websites!
এতটাই হতভাগ্য যে, যদি সে আগামী রমযানের আগেই মারা যায়, তবে তার কাছে এমন কোনো নেকি থাকবে না, যা তাকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাতে পারে। মনে রাখবেন! চোখের যিনা কু-দৃষ্টি, হাতের যিনা অচেনা নারীকে (বা কামভোবে সাথে অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলেকে) স্পর্শ করা। সুতরাং সাবধান! সাবধান! সাবধান! রমযান মাসে বিশেষ করে নিজেকে কৃ-দৃষ্টি থেকে বাঁচান। যথাসম্ভব চোখের কুফলে মদীনা লাগিয়ে নিন, অর্থাৎ দৃষ্টি নিচু রাখার পূর্ণ চেষ্টা করুন। আহ! শত সহস্র আহ! কখনো কখনো নামাযী এবং রোযাদারও রমযান করীমের অবমাননা করে আল্লাহ পাকের কাহহার ও জাব্বারিয়্যতের শিকার হয়ে জাহান্নামের আগুনে গ্রেফতার হয়ে যায়।
কবরের ভয়ংকর দৃশ্য!
একবার মুসলমানদের চতুর্থ খলিফা মাওলা আলী শেরে খোদা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ কবর যিয়ারতের জন্য কুফার কবরস্থানে গেলেন। সেখানে একটি তাজা কবরের উপর তার দৃষ্টি পড়ল। তিনি رَضِیَ اللهُ عَنْہُ তার অবস্থা জানতে আগ্রহী হলেন। সুতরাং তিনি মহান আল্লাহর দরবারে আরযি পেশ করলেন: ইয়া আল্লাহ! এই মৃত ব্যক্তির অবস্থা আমার নিকট প্রকাশ করে দাও। মহান আল্লাহর দরবারে তার দোয়া তৎক্ষণাৎ কবুল হলো এবং দেখতে দেখতে তার ও সেই মৃত ব্যক্তির মধ্যে যত পর্দা ছিল সব উঠে গেল। এখন কবরের এক ভয়ানক দৃশ্য তার সামনে। তিনি দেখতে পেলেন যে, মৃত ব্যক্তি আগুনের শিখার মধ্যে রয়েছে এবং কাঁদতে কাঁদতে তাকে এভাবে ফরিয়াদ করছে:
یَاعَلِیُّ! اَنَا غَرِیْقٌ فِی النَّارِ وَحَرِیْقٌ فِی النَّارِ
অর্থাৎ হে মাওলা আলী শেরে খোদা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ! আমি আগুনে ডুবে আছি এবং আগুনে জ্বলছি। কবরের ভয়ানক দৃশ্য এবং মৃত
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami