Share this link via
Personality Websites!
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! বোঝা গেল যে, রমযান করীমকে সম্মানকারীদের জন্য পরকালের পুরস্কার ও সম্মানের সুসংবাদ রয়েছে, তেমনি এই বরকতময় মাসের অমর্যাদা করে গুনাহকারীদের জন্য কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারিও রয়েছে।
রমযানে গুনাহকারী
হযরত উম্মে হানি رَضِیَ اللهُ عَنْہَا থেকে বর্ণিত, রাসূলে পাক صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: আমার উম্মত ততক্ষণ পর্যন্ত লাঞ্ছিত ও অপদস্থ হবে না, যতক্ষণ তারা রমযান মাসের হক আদায় করে যাবে। আরয করা হলো: ইয়া রাসূলাল্লাহ صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم! রমযানের হক নষ্ট করার কারণে তাদের লাঞ্ছিত ও অপদস্থ হওয়া কী? তিনি ইরশাদ করলেন: এই মাসে তাদের হারাম কাজ করা। অতঃপর ইরশাদ করলেন: যে এই মাসে যিনা করলো বা মদ পান করলো, আল্লাহ পাক এবং আসমানের যত ফেরেশতা আছে, সবাই তার উপর আগামী রমযান পর্যন্ত লানত করে। অতঃপর যদি এই ব্যক্তি আগামী রমযান মাস আসার আগেই মারা যায়, তাহলে তার কাছে এমন কোনো নেকি থাকবে না, যা তাকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাতে পারে। সুতরাং তোমরা রমযান মাসের ব্যাপারে সতর্ক হও, কারণ এই মাসে যেমন অন্যান্য মাসের তুলনায় নেকি বাড়িয়ে দেওয়া হয়, তেমনি গুনাহের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। (মু'জামু সগীর, খন্ড: ৯, হাদীস: ১৪৮৮)
হে অবমাননাকারীরা! সাবধান!
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! কেঁপে উঠুন! রমযান করীমের অবমাননা থেকে বাঁচার জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুতি নিন। এই বরকতময় মাসে অন্যান্য মাসের তুলনায় যেমন নেকি বাড়িয়ে দেওয়া হয়, তেমনি অন্যান্য মাসের তুলনায় গুনাহের ধ্বংসযজ্ঞও বেড়ে যায়। রমযান মাসে মদ পানকারী এবং যিনাকারী তো
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami