Share this link via
Personality Websites!
সেই বান্দার সাথে নম্রতা প্রদর্শন, যে বলে: আমিই মাবুদ , তাহলে তোমার সেই বান্দার প্রতি কীরূপ নম্রতা হবে যে বলে: কেবল তুমিই আমার রব। আর তোমার ওই বান্দার প্রতি এমন নম্রতা যে বলে আমি তোমাদের সবচেয়ে উৎকৃষ্ট রব, তাহলে ওই বান্দার প্রতি তোমার নম্রতার অবস্থা কীরূপ হবে, যে বলে: আমার রব হলো সেই, যিনি সবচেয়ে উৎকৃষ্ট। (সীরাতুল জিনান, ৬/২০২)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী বোনেরা! আমাদের উচিৎ যে, যখন কাউকে নেকীর দাওয়াত দেয়ার সুযোগ হয় তখন মমতা, ভালবাসা ও নম্রতার সহিত দাওয়াত দিন, এইভাবে দাওয়াত দেয়ার বরকতে اِنْ شَآءَ الله আমাদের কথার প্রভাবও বিস্তার করবে এবং আমরা যাকে উপদেশ দিচ্ছি, সে আমাদের কথা মনযোগ সহকারে শুনে আমল করার চেষ্টা করবে। কুরআনে করীমে আল্লাহ পাক নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর অন্তরের নম্রতাকে আপন রহমত হিসেবে ঘোষণা করে দিয়েছেন। যেমনটি
৪র্থ পারার সূরা আলে ইমরানের ১৫৯ নং আয়াতে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন:
فَبِمَا رَحْمَةٍ مِّنَ اللّٰهِ لِنْتَ لَهُمْۚ-
(পারা ৪, সূরা আলে ইমরান, ১৫৯)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: অতঃপর কেমনই আল্লাহর কিছু দয়া হয়েছে যে, হে মাহবুব! আপনি তাদের জন্য কোমল-হৃদয় হয়েছেন।
এই আয়াতে রাসূলে আকরাম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর সুন্দর চরিত্রের শিষ্টাচার (Manners) বর্ণনা করা হচ্ছে, অতএব ইরশাদ করেন: হে হাবীব! আল্লাহ পাকের আপনার প্রতি কীরূপ দয়া যে, তিনি আপনাকে নম্র অন্তর, স্নেহবান এবং দয়া ও অনুগ্রহকারী বানিয়েছেন এবং আপনার স্বভাবে এত বেশি দয়া ও অনুগ্রহ সৃষ্টি করেছেন যে, উহুদের যুদ্ধের দিনেও আপনি রাগ প্রকাশ করেননি, অথচ আপনি সেদিন অনেক বেশি কষ্ট পেয়েছিলেন এবং যদি আপনি কড়া মেজাজের হতেন এবং মানুষের সাথে মেলামেশায় কঠোরতা অবলম্বন করতেন তবে মানুষ আপনার থেকে দূরত্ব বজায় রাখতো। হে হাবীব صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم! আপনি তাদের ভুল ক্ষমা করে দিয়েছেন এবং তাদের জন্য
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami