Share this link via
Personality Websites!
নিকট কোন এতিম আসে তবে তার মাথায় হাত বুলিয়ে দাও এবং নিজের খাবার থেকে তাকেও আহার করাও, তোমার অন্তর নম্র হয়ে যাবে এবং তোমার চাহিদাও পূরণ হবে।
(মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাক, কিতাবুল জা’মেয়ে, ১০/১৩৫, হাদিস -২০১৯৮)
(৭) অন্তরের কঠোরতার ক্ষতির ব্যাপারে চিন্তা ভাবনা করুন!
অন্তরের কঠোরতার ভয়াবহতা হলো যে, তাদের মাঝে নসীহতের কথা প্রভাব বিস্তার করে না, অন্তর নেকীর প্রতি ধাবিত হয় না, অন্তরের কঠোরতার কারণে বান্দা আল্লাহ পাকের অসন্তুষ্টি এবং তাঁর পক্ষ থেকে লানত (অর্থাৎ রহমত থেকে দুরত্ব) এর অধিকারী হয়ে যায়।
আমিরুল মুমিনীন হযরত আলী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ থেকে বর্ণিত, রাসূলে আকরাম, নূরে মুজাসসাম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: আমার উম্মতের দয়ালু লোকদের নিকট মঙ্গল কামনা করো, তাদের পাশে থাকো এবং কঠোর লোকদের থেকে মঙ্গল কামনা করো না, কেননা তাদের উপর লানত অবতীর্ণ হয়। (মুস্তাদরিক, কিতাবুর রিকাক, ৫/৪৫৮, হাদিস- ৭৯৭৮)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
আত্মীয়তার সম্পর্কের পয়েন্ট
প্রিয় ইসলামী বোনেরা! বয়ান শেষ করার পূর্বে আত্মীয়তার সম্পর্খের ব্যাপারে কিছু পয়েন্ট শুনার সৌভাগ্য করছি।
প্রথম
প্রিয় নবী صَلَّی
اللهُ
عَلَیْہِ
وَاٰلِہٖ
وَسَلَّم
এর দুটি
বাণী: (১)
প্রতিটি
সদাচরন সদকা,
তা ধনী বা গরীব
যার সাথেই হোক
না কেন। (মাজমাউয
যাওয়াইদ,
কিতাবুয
যাকাত, ৩/৩৩১, হাদিস: ৪৭৫৪)
(২) যে ব্যক্তি
পিতা-মাতার সাথে
সদ্ব্যবহার করেছে,
তাকে মোবারকবাদ!
কারণ আল্লাহ
পাক তার আয়ু বৃদ্ধি
করে দিয়েছেন। (মুস্তাদরাক,
কিতাবুল
বিররে ওয়াস সিলাহ,
৫/২১৩,
হাদিস: ৭৩৩৯)
* আত্মীয়তার
সম্পর্ক রক্ষা
করা ওয়াজিব এবং
সম্পর্ক ছিন্ন
করা হারাম ও জাহান্নামে
নিয়ে যাওয়ার মতো
কাজ। (বাহারে
শরীয়ত, ৩/৫৫৮, অংশ: ১৬)
* আত্মীয়দের
সাথে ভালো আচরণ
কেবল এই নয় যে,
তারা ভালো আচরণ
করলে তুমিও করবে;
এটি তো মূলত বিনিময়। যেমন;
সে তোমার কাছে
কোনো জিনিস পাঠালে
তুমিও তার কাছে
পাঠালে, সে
তোমার কাছে এলে
তুমিও তার কাছে
গেলে। প্রকৃত আত্মীয়তা
রক্ষা করা হলো
এই যে, সে
সম্পর্ক ছিন্ন
করলেও তুমি তা
জোড়া লাগাবে,
সে তোমার থেকে
দূরে থাকতে চাইলেও
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami