Share this link via
Personality Websites!
(৪) কম আহারের অভ্যাস গড়ুন!
নম্রতা সৃষ্টি করার জন্য ক্ষুধা থেকে কম আহারের অভ্যাসও অনেক উপকারী আর পেট ভরে আহার করলে যেমন ইবাদতে অলসতা আসে এবং স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যায়, তেমনি এর ক্ষতিও রয়েছে যে, পেট ভরে আহার করা অন্তরের কঠোরতারও কারণ হয়।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস رَضِیَ اللهُ عَنْہُمَا বর্ণনা করেন যে, নবীয়ে করীম, রউফুর রহীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: مَنْ شَبِعَ وَ نَامَ قَسٰی قَلْبُہٗ অর্থাৎ যে পেট ভরে আহার করে এবং ঘুমিয়ে যায় তবে তার অন্তর কঠোর হয়ে যায়। অতঃপর ইরশাদ করেন: لِکُلِّ شَیْءٍ زَکَاةٌ وَ زَکَاةُ الْبَدَنِ الْجُوْع অর্থাৎ প্রত্যেক কিছুর যাকাত রয়েছে এবং শরীরের যাকাত হলো ক্ষুধার্ত থাকা। (ইবনে মাজাহ, কিতাবুস সিয়াম, ২/৩৪৭, হাদিস-১৭৪৫)
(৫) উত্তম সাহচর্য অবলম্বন করুন!
নম্রতা সৃষ্টি করার একটি পদ্ধতি এটাও যে, খারাপ লোকদের সহচর্য থেকে দূরে থাকা এবং নেককার ও পরহেগার লোকের সহচর্য অবলম্বন করা। হাকীমুল উম্মত হযরত মুফতী আহমদ ইয়ার খান নাঈমী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: “যেভাবে লোহা (Iron) নরম হয়ে অস্ত্র, সোনা (Gold) নরম হয়ে অলঙ্কার আর মাটি নরম হয়ে ক্ষেত বা বাগান, আটা নরম হয়ে রুটি ইত্যাদি হয়, সেভাবেই মানুষের মন নরম হয়ে ওলী, সূফী, আরিফ (দয়ালু রবের পরিচয় লাভকারী) ইত্যাদি হয়। অন্তরের নম্রতা আল্লাহ পাকের অনেক বড় নেয়ামত, এই অন্তরের নম্রতা বুযুর্গদের সহচর্য এবং তাঁদের পবিত্র বাণী দ্বারাই নসীব হয়ে থাকে।”
(মিরাতুল মানাজিহ, ২/৭)
(৬) এতিম ও অসহায়দের মঙ্গল করুন!
নম্রতা সৃষ্টি করার একটি উপায় হলো যে, এতিম (Orphan) ও অসহায়দের মঙ্গল করুন, কেননা হাদিসে পাকে এর উৎসাহ বিদ্যমান:
হযরত আবু দারদা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি প্রিয় নবী, রাসূলে আরবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর দরবারে উপস্থিত হয়ে নিজের অন্তরের কঠোরতার অভিযোগ করলো তখন প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করলেন: তোমার কি এটা পছন্দ যে, তোমার অন্তর কোমল হয়ে যাক? সে আরয করলো: জি হ্যাঁ। ইরশাদ করলেন: যখন তোমার
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami