Share this link via
Personality Websites!
কারণে হওয়া আখিরাতের কষ্ট ও আযাবকে স্মরণ করুন, اِنْ شَآءَ الله অন্তরের কঠোরতা দূর হয়ে যাবে।
নিজের মাঝে নম্রতা সৃষ্টি করার জন্য নিজেকে এই বিষয়ে অভ্যস্ত করুন যে, যখনই কারো জানা অজানায় কোন কষ্ট পেয়ে যান তবে ইটের জবাব পাথর দিয়ে দেয়ার পরিবর্তে রাগকে সংবরণ করে ক্ষমা করে দিন এবং এই মূলনীতি মনে গেঁথে রাখুন যে, যদি আবর্জনা কোন কিছুতে লেগে যায় তবে তা পানি দ্বারা পবিত্র করা হয়, আবর্জনা দিয়ে নয়, যদি আমরা সেই আবর্জনাকে আবর্জনা দিয়ে পাক করার চেষ্টা করি তবে তা পাক হওয়ার পরিবর্তে আরো নাপাক হয়ে যাবে। অনুরূপভাবে কেউ আমাদের সাথে অজান্তে (Unknowingly) খারাপ ব্যবহার করলো আর আমরা এর প্রতিত্তোরে তার সাথে তেমনই আচরণ করি বা তার চেয়েও বেশি খারাপ আচরণ করি তবে বিষয়টি শেষ হওয়ার পরিবর্তে আরো বেশি বিগড়ে যাবে এবং শত্রুতা ও লড়াই ঝগড়া পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে। তবে হ্যাঁ! যদি তার সহিত নম্র ও ভালবাসাপূর্ণ আচরণ করা হয় এবং তার ভুলকে বাদ দিয়ে ক্ষমা করে দেয়া যায় তবে اِنْ شَآءَ الله এর ভাল (Positive) ফলাফল দেখে আপনার অন্তর শীতল হয়ে যাবে।
২৪তম পারার সূরা হা-মীম সাজদা এর ৩৪ নং আয়াতে আল্লাহ পাক আমাদেরকে এই বিষয়ে আদেশ ইরশাদ করেন:
اِدْفَعْ بِالَّتِیْ هِیَ اَحْسَنُ فَاِذَا الَّذِیْ بَیْنَكَ وَ بَیْنَهٗ عَدَاوَةٌ كَاَنَّهٗ وَلِیٌّ حَمِیْمٌ(۳۴)
(পারা ২৪, সূরা হা-মীম সাজদা, আয়াত ৩৪)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: মন্দকে ভালো দ্বারা প্রতিহত করো! তখনই ঐ ব্যক্তি যে, তোমার মধ্যে ও তার মধ্যে শত্রুতা ছিলো, এমন হয়ে যাবে যেমন অন্তরঙ্গ বন্ধু।
তাফসীরে সীরাতুল জিনানে এই আয়াতে মুবারাকার আলোকে লিপিবদ্ধ রয়েছে: তোমরা মন্দকে ভাল দ্বারা প্রতিহত করো, যেমন; রাগকে ধৈর্য্য দ্বারা (প্রতিহত করো), মানুষের অজ্ঞতাকে সহনশীলতা দ্বারা (প্রতিহত করো) এবং অসদাচরণকে ক্ষমা ও মার্জনা দ্বারা (প্রতিহত করো), যদি তোমার সাথে কেউ অসাদাচরণ করে তবে ক্ষমা করে দাও, তবে এই স্বভাবের ফলে এটা হবে যে, শত্রুরা বন্ধুর ন্যায় তোমাকে ভালবাসতে থাকবে।
(সীরাতুল জিনান, ৮/৬৩৯)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami