Share this link via
Personality Websites!
হাকীমুল উম্মত হযরত মুফতী আহমদ ইয়ার খান নাঈমী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: আল্লাহ পাক যেসকল লোকের প্রতি দয়া করেন তাদের অন্তরে নম্রতা ঢেলে দেন, তারা মানুষের প্রতি নম্রতা প্রদর্শন করেন, যার কারণে তাদের সম্মান আরো বৃদ্ধি পায় এবং যে সকল লোকের প্রতি আল্লাহ পাক কহর (গযব) প্রদান করেন, তাদের অন্তর নম্রতা থেকে বঞ্চিত করে দেন, তাদের অন্তর কঠোর হয়ে যায়, মানুষের সাথে তারা কঠোরতা প্রদর্শন করে থাকে। (মিরাতুল মানাজিহ, ৬/৬৫৪)
মনে রাখবেন! নম্রতা একটি খুবই সুন্দর গুণ, যা মানুষকে দয়ার প্রতি উদ্বুদ্ধ করে, অত্যাচার থেকে বিরত রাখে, অহঙ্কার থেকে বাঁচায় এবং বিনয়ের প্রতি ধাবিত করে। জীবনের বিরান ধ্বংসস্তুপ নম্রতার কারণে আলিশান প্রাসাদে পরিবর্তন হতে পারে। নম্রতা সৃষ্টি করার জন্য আবশ্যক যে, অন্তরকে নম্র করুন, কেননা মানুষের অন্তর হলো অঙ্গ সমূহের বাদশাহ, যখন সে নম্র হয়ে যায় তখন আমাদের আচরণে এমনিতেই নম্রতা সৃষ্টি হয়ে যাবে। অন্তরে নম্রতা কিভাবে সৃষ্টি হবে? আসুন! এসম্পর্কে কয়েকটি পয়েন্ট শ্রবণ করি।
(১) উদাসীনতা থেকে জাগ্রত হয়ে যান!
যদি সর্বদা যিকির ও দরূদে মশগুল থাকেন তবে এর বরকতে আমাদের অন্তর নম্র হয়ে যাবে, অন্যথায় আল্লাহর স্মরণ থেকে উদাসীন থাকার কারণে অন্তর কঠোর হয়ে যেতে পারে।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর رَضِیَ اللهُ عَنْہُمَا থেকে বর্ণিত যে, নবীয়ে করীম, রউফুর রহীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: আল্লাহ পাকের যিকির ছাড়া বেশি কথাবার্তা বলো না, কেননা আল্লাহ পাকের যিকির ছাড়া বেশি কথাবার্তা বলা অন্তরের কঠোরতার কারণ। আর কঠিন হৃদয়ের ব্যক্তি আল্লাহ পাক থেকে অনেক দূরে থাকে।
(তিরমিযী, কিতাবুয যুহুদ, ৬২-বাবু মিনহা, ৪/১৮৪, হাদিস-২৪১৯)
(২) গুনাহের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা করুন!
অন্তরের নম্রতার জন্য অধিকহারে নেক আমল করুন এবং ছোট বড় প্রকাশ্য অপ্রকাশ্য গুনাহ থেকে বাঁচার চেষ্টা করুন, কেননা গুনাহ করলে অন্তর শক্ত হয়ে যায়। সুতরাং অন্তরে নম্রতা সৃষ্টি করার জন্য আল্লাহ পাকের ভয় সৃষ্টি করুন এবং গুনাহের
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami