Share this link via
Personality Websites!
গেলো। আর اَلْحَمْدُ لِلّٰه আমি গুনাহ থেকে তাওবা করে মাদানী পরিবেশে সম্পৃক্ত হয়ে গেলাম। (তা’রুফে আমীরে আহলে সুন্নাত, পৃষ্ঠা-৪০)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী বোনেরা! মনে রাখবেন! যদি আমরা আমাদের ঘরে দ্বীনি পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাই তবে আমাদেরকে নিজের মাঝে নম্রতা সৃষ্টি করতে হবে, যদি পিতামাতাকে নেকীর দাওয়াত দিতে হয় তবে নিজের মাঝে নম্রতা সৃষ্টি করতে হবে, ঘরকে পর্দার অনুসারী করতে চাই তবে নিজের মাঝে নম্রতা সৃষ্টি করতে হবে, যদি নিজের সন্তানকে নামাযী বানাতে চাই তবে নিজের মাঝে নম্রতা সৃষ্টি করতে হবে, পরিবারকে মন্দ আমল থেকে বিরত রাখতে চাই তবে নিজের মাঝে নম্রতা সৃষ্টি করতে হবে, যদি নিজের অধিনস্তদেরকে নিজের মত করতে চাই তবে নিজের মাঝে নম্রতা সৃষ্টি করতে হবে, হে আল্লাহ! তোমার মাহবুব صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর মুচকী হাসির সদকায় আমাদেরকে নম্রতা দান করো।
اٰمین بِجاہِ خاتَمِْالنَّبِیّٖن صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم
প্রিয় ইসলামী বোনেরা! এই বিষয়টি মনে গেঁথে রাখবেন! যারা কঠোর স্বভাবের হয়ে থাকে, লোকেরা তাদের কাছে আসা এবং তাদের সাথে কথা বলতে কুন্ঠাবোধ করে, এরূপ কঠোর স্বভাবের মানুষকে সমাজে সম্মানের চোখে দেখা হয় না, তাদের পেছনে কিছুটা এরূপ কথা বলা হয়, যেমন; “ভাই! অমুক থেকে দূরে থেকো, খুবই কড়া স্বভাবের লোক”, “সামান্য কথাতেই সবার সামনে অপদস্ত করে দেয়”, “সর্বদা রাগে মুখ ফুলিয়ে থাকে”, “তার আচরণে (Attitude) তার পরিবারের সবাই তার প্রতি অসন্তুষ্ট থাকে” ইত্যাদি। একটু ভাবুন তো! আমাদের সম্পর্কেও মানুষের এরূপ অভিমত নেই তো? নাকি আমরাও মানুষের সাথে বিনা কারণে কঠোরতা দেখিয়ে অতিষ্ট করছি নাতো? আমাদের সন্তানরাও আমাদের স্নেহ ও ভালবাসা থেকে বঞ্চিত নয় তো? যদি এরূপ হয় তবে এখনি নিজের স্বভাবে নম্রতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করুন, কেননা যার অন্তর নম্র হয়, তার সম্মান বৃদ্ধি পায়।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami