Share this link via
Personality Websites!
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: নিশ্চয়ই মানুষের উপর এমন একটি সময় এসেছিল, কোথাও তার নাম পর্যন্ত ছিল না।
এটি এক প্রকার আমাদের অহংকারের ছেদ, আমাদের আমিত্ব, আমাদের 'আমি' এর ছেদ, আমাদেরকে এই অনুভূতি দেওয়া হচ্ছে যে, তোমরা কীভাবে আল্লাহকে অস্বীকার করতে পারো? সেই সর্বশক্তিমান ও চিরঞ্জীবের মোকাবেলায় নিজেদেরকে কীভাবে দাঁড় করাতে পারো? তাঁর আদেশের বিপরীতে নিজেদের আকাঙ্ক্ষাকে কীভাবে অগ্রাধিকার দিতে পারো? অথচ তোমরা কিছুই ছিলে না, উল্লেখ করার মতো কোনো জিনিসই ছিলে না। তোমাদের এই প্রথম অবস্থা নিয়ে তো চিন্তা করো! কারো চিন্তায় তোমার কল্পনাও ছিল না, একজন আছেন, যিনি তোমাকে অস্তিত্ব দিয়েছেন, এখন কি তোমার জন্য এটা শোভা পায় যে, তুমি অহংকার করবে! তোমার শক্তি, তোমার ক্ষমতা, তোমার বুদ্ধি, তোমার জ্ঞানের উপর ভরসা করে আল্লাহ পাকের ক্ষমতাকে অস্বীকার করা শুরু করবে! তোমার কি এই যোগ্যতা আছে যে, আল্লাহ পাকের আদেশ ও বাণীকে তোমার বুদ্ধি দিয়ে বিচার করতে বসবে...!! না...!! না। তুমি কিছুই ছিলে না, তিনি তোমাকে অনেক কিছু বানিয়েছেন। অতএব, তাঁর সামনে তোমার মাথা নত করে বিনয় ও নম্রতার প্রতীক হয়ে হৃদয়ের গভীর থেকে ডাকো! سُبْحٰنَ رَبِّیَ الْاَعْلٰی পবিত্র আমার মহান রব...!!
মানুষের দ্বিতীয় অবস্থা
এটি প্রথম অবস্থা ছিল, এখন দ্বিতীয় অবস্থা বর্ণনা করা হচ্ছে, ইরশাদ হচ্ছে:
فَاَحْیَاكُمْۚ-
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: অতঃপর তিনি তোমাদেরকে জীবিত করেছেন।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami